আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়নে কর্মসৃজন কাজে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত টিমের প্রকল্প পরিদর্শন: সত্যতা মিলেছে

355

কাজী সোহাগ: আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়নের ৪০ দিনের কর্ম সৃজন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গতকাল তদন্ত টিম ৫টি প্রকল্প পরিদর্শন করেছে। জেহালা ইউনিয়নের কর্ম সৃজন প্রকল্পের ট্যাগ অফিসার হিসাবে নিয়োজিত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার আব্দুস ছালাম পরিদর্শনকালে লেবার কম নেবার অভিযোগের প্রমান পেয়েছে বলে জানা গেছে।
আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়নের ৪০ দিনের কর্ম সৃজন প্রকল্পের লেবার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিছু দিন আগে থেকেই জেহালা ইউনিয়নের কর্ম সৃজন কাজের অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে স্থানীয় পেপার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশও পাই। কর্ম সৃজন প্রকল্পের কাজ শুরু থেকেই এলাকাবাসী কর্ম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করে আসছে। এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার জেহালা ইউনিয়নের কর্ম সৃজন প্রকল্পের ট্যাগ অফিসার হিসাবে নিয়োজিত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার আব্দুস ছালাম ও পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শন স্বপন ৫টি প্রকল্প পরির্দশন করেন। গতকাল সরেজমিনে গেলে, রোয়াকুলি প্রকল্পের পিআইসি সোনোয়ারের অধিনে ৫জন কম, গড়গড়ী প্রকল্পের হাসিবুল মেম্বারের অধিনে ৮জন লেবার কম, হৈদারপুর প্রকল্পের হিরালাল মেম্বারের অধিনে ৮জন লেবার কম, খুদিয়াখালী প্রকল্পে মজিদ মেম্বারের অধিনে ১৭ জন লেবার কম ও পুটিমারী প্রকল্পে আনারুল মেম্বারের অধিনে কোন লেবার পাইনি তদন্ত টিম।
এব্যপারে জানাতে চাইলে উক্ত প্রকল্পের তদন্তকারী কর্মকর্তা ট্যাগ অফিসার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার আব্দুস ছালাম সাংবাদিককে বলেন চেয়ারম্যান মেম্বারদের সাথে কথা বলে আগামী কাল (আজ মঙ্গলবার) তদন্তদের বিষয়ে কথা বলব। এমন কথায় হতবাক এলাকাবাসী। ট্যাগ অফিসারের বক্তব্য অনেকটা সন্দেহজনক। এলাকাবাসীর মন্তব্য সঠিক তদন্ত রির্পোট পেশ করা হবে তো?
এলাকাবাসী জানাই, কর্ম সৃজনের শুরু থেকে জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের লেবার কম রেখে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। ৫টি প্রকল্পে নিয়োজিত ইউপি সদস্যরা এই ভাগ করে নেয়। এলাকাবাসী সুষ্ঠ তদন্ত দাবী করে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।