আলমডাঙ্গার ঘোলদাঁড়ি ফাঁড়ির টুআইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন

22

আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গার ঘোলদাঁড়ি পুলিশ ফাঁড়ির টুআইসির বিরুদ্ধে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বাড়ি ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভূমিহীন অসহায় নারী। গতকাল বুধবার তিনি সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ উত্থাপন করেন।
লিখিত বক্তব্যে আইলহাঁস ইউনিয়নের কুঠিপাইকপাড়া গ্রামের ফজলু রহমানের মেয়ে স্বামী পরিত্যাক্তা তাসলিমা খাতুন জানান, তিনি আইলহাঁস ইউনিয়ন পরিষদের তালিকাভুক্ত ভূমিহীন। গত প্রায় ১০ মাস আগে ছয়ঘরিয়া মৌজার সরকারি ভিপি ১০৬৫-৬৬-৬৭ দাগে ৫৬ শতক জমির মধ্যে ৪ শতক জমির ওপর বসতঘর নির্মাণ করে দুটি মেয়ে নিয়ে বসবাস করছেন। ওই জমি ভেদামারি গ্রামের মৃত মুন্নাফ গাইনের ছেলে হাবিল, আকবর ও আলী হোসেন নিজেদের দাবি করে বিভিন্নভাবে সেখান থেকে উচ্ছেদের চক্রান্ত করছে। মামলা মোকদ্দমা করে হয়রানি করছে। এক পর্যায়ে বাড়ির একপাশে রাতের আধারে প্রাচীর নির্মাণ করে অবরুদ্ধ করে রাখে। এছাড়া তার প্রতিবেশী সোহাগ, খাইরুল, আকরম, আব্দুল একরামুলসহ তাদের স্ত্রীরা যাতায়াতের রাস্তা তৈরি করার পাঁয়তারা করে আসছে। তারা বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি ও গালিগালাজ করে আসছিল। এমতাবস্থায়, গত ২২ জুন বেলা ১১টায় ঘোলদাঁড়ি পুলিশ ফাঁড়ির টুআইসি এএসআই মিজানুর রহমান সশরীরে দাঁড়িয়ে থেকে আমার নির্মাণাধীন বসতঘর আব্দুল, বিদ্যুৎ ও সোহাগ গংদের দিয়ে ভেঙে দিয়েছেন।
সারাদেশে মানবিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ভূমিহীনদের জীবনমানের উন্নয়ন করতে পাকাঘর নির্মাণ করে দিচ্ছেন, জীবিকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। আমাদের ডিআইজি মহোদয়ও নিজ উদ্যোগে ভুমিহীনদের জন্য পাকাঘর নির্মাণ করে দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ঠিক সেই সময় ঘোলদাঁড়ি পুলিশ ফাঁড়ির টুআইসি মিজানুর রহমান সশরীরে উপস্থিত থেকে আমার বহু কষ্টে নির্মাণ করা বাড়িঘর ভেঙে দিয়েছেন। আদালতের উচ্ছেদের কোনো নির্দেশ ছাড়াই তিনি আমার প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এ অন্যায় আচরণ করেছেন। এ সময় ঘোলদাঁড়ি বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম নান্না উপস্থিত হলে এএসআই মিজানুর রহমান তাঁর ওপর চড়াও হন। তিনি এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুবিচার প্রত্যাশা করেছেন।