আলমডাঙ্গার উদয়পুরে চায়ের দোকানে বসা নিয়ে বাকবিতন্ডা শেষে : মারামারিতে একজন জখম : থানায় মামলা

455

আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের উদয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ইউসুফ আলীর চায়ের দোকানে বসাকে কেন্দ্র করে এক মাদকসেবীর সাথে কয়েকজনের কথা কাটাকাটি হলে মাদকসেবী শাহীন আলী কয়েকজনকে তেড়ে ওঠে। এসময় কথা কাটাকাটি হলে শাহীন তার মাজায় থাকা একটি ডেগার দিয়ে এক জনের গলায় ছুড়ি চালায়। এরপর বাধা দিলে সে হামিদের পেটে ডেগার চালিয়ে দেয়। এতে হামিদ মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হারদী হাসপাতাল পরবর্তীতে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তার অবস্থা আসংকাজনক। এ ব্যাপারে হামিদের পিতা মনছুর মন্ডল বাদি হয়ে গতকাল রাত ৮টার দিকে আলমডাঙ্গা থানায় উদয়পুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শাহীন আলী (২২), শহিদুল ইসলাম (৪৫), শহিদুল ইসলামের স্ত্রী রাশিদা খাতুন (৪০)’র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করেছে- উপরোক্ত আসামিগণ দূর্ধষ্য ও হি¯্র প্রকৃতির লোক। তারা এলাকায় প্রায়ই মারামারি করে থাকে। গতকাল বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উদয়পুর গ্রামের নুরুল হকের ছেলে ইউনুস আলীর চায়ের দোকানে হামিদ হোসেন (৩৫)সহ বেশকয়েকজন বসে ছিল। এসময় আসামি শাহীন আলী চায়ের দোকানে এসে হামিদ হোসেনকে জায়গা ছেড়ে দিতে বলে নিজে বসার জন্য। হামিদ আলী চায়ের দোকান হতে উঠতে না চাইলে। শাহীন তাকে গালি গালাজ করে। উপস্থিত লোকজন উভয়কে ঠেকিয়ে দিলে শাহীন হুমকি দিয়ে বলে, তোর মজা আমি দেখাচ্ছি। এসময় শাহীন আলী তার হাতে থাকা ধারাল ডেগার দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামিদের গলার ডান পাশে পোচ দেয়। এতে তার গলার রগ কেটে যায়। তারপর পেটে এলোপাথারিভাবে আঘাত করলে হামিদ গুরুতর রক্তাত্ব জখম হয়। সে সময় তার পেটের মধ্য থেকে ভুড়ি বেড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে সে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।