আরাফাত রহমান কোকোর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

31

সমীকরণ প্রতিবেদন:
আজ ২৪ জানুয়ারি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন, তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবাষিকী। এ উপলক্ষে জিয়া পরিবার, বিএনপি ও আরাফাত রহমান স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে দিনব্যাপী আলোচনা সভা, দোয়া, কোরআনখানি ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি দেশের গণআন্দোলনের এক শ্বাসরুদ্ধকার সময়ে মা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুলশানের নিজ অফিসে পুলিশি অবরুদ্ধ থাকাবস্থায় মালয়েশিয়ায় আকস্মিক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন আরাফাত রহমান কোকো। তার অকালমৃত্যুতে দেশবাসী শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছিল। অবরুদ্ধ মা বেগম খালেদা জিয়ার প্রিয় পুত্রের লাশ ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। সরকারের পক্ষে তার লাশ দেখা ও সমবেদনা নিয়ে হয়েছিল ঘৃণ্য রাজনীতির কূটকৌশল। সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আদরের ছোট সন্তান হলেও কোকোকে দেশ-বিদেশের মানুষ প্রথম জানতে পারলো ১/১১-এর সেনাসমর্থিত মইন-ফখরুদ্দীন সরকার কর্তৃক মা বেগম খালেদা জিয়ার সাথে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তার গ্রেফতারের পর থেকেই। রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রচন্ড নির্যাতন করে তাকে পঙ্গু করা হয়। নির্যাতনের ফলে কোকোর হৃদযন্ত্রে সমস্যা দেখা দেয়। সে সময় সংবাদপত্রের ছবি এবং টিভির ভিডিওগুলোর কথা যাদের মনে আছে তারা হয়তো স্মরণ করতে পারবেন যে, কোকোকে সব সময় বুক চেপে ধরে থাকতে দেখা যেতো। সেই সময় থেকেই তিনি হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন। ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে থাইল্যান্ডে যান কোকো। সেখান থেকে তিনি মালয়েশিয়ায় স্ত্রী ও দুই কন্যাসহ মালয়েশিয়াতেই অবস্থান করছিলেন। একদিকে বিদেশে তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন, অন্যদিকে দেশে মা বেগম খালেদা জিয়ার ওপর সরকারের অত্যাচার-নির্যাতনের খবরে তিনি ছিলেন চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। এ অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন।