চুয়াডাঙ্গা শুক্রবার , ২১ অক্টোবর ২০১৬

আনন্দমুখর পরিবেশে উৎসবের আমেজের আওয়ামী লীগের সম্মেলন কাল সা. সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তনের আভাস

সমীকরণ প্রতিবেদন
অক্টোবর ২১, ২০১৬ ১২:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

pm1সমীকরণ ডেস্ক: আনন্দমুখর পরিবেশে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আগামীকাল উৎসবের আমেজে শুরু হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন। ২২ ও ২৩ অক্টোবর শনি ও রোববার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দু’দিনের এ সম্মেলনের যাবতীয় প্রস্তুতি এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আলোচনা চলছে দলের আগামী কমিটি নিয়েও। এই প্রথমবারের মতো দলটি অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে সম্মেলন আয়োজন করছে। রাজধানী ঢাকাকে বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। এ উপলক্ষে দেশের সব জেলা আওয়ামী লীগ অফিসও সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। বুধবার দলের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের পর থেকেই খবর ছড়িয়ে পড়েছে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি, সেতু ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন। দলের সভাপতি তাকে গ্রিন সিগন্যালও দিয়েছেন বলে গুঞ্জরন রয়েছে। এ সংবাদের ওপর ভিত্তি করে দলের অনেক নেতাই বৃহস্পতিবার ওবায়দুল কাদেরের বাসায় গিয়ে তাকে অগ্রিম অভিনন্দনও জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিন তিনি চারবার সভাপতির  কার্যালয়ে যান বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
নানা বিবেচনায় এবারের জাতীয় সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। বিগত যে কোনো সম্মেলনের চেয়ে এবারের প্রস্তুতিও ব্যাপক এবং বহুমুখী। এ সম্মেলনকে ঘিরে তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত সাজ সাজ রব উঠেছে। দলীয় পদ-পদবির জন্য দৌড়ঝাঁপও শুরু হয়েছে। গঠনতন্ত্র সংশোধন ও ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করাসহ নানা কাজের জন্য গত এপ্রিলে সম্মেলনের প্রস্তুতির জন্য ১১টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। প্রতিটি উপ-কমিটি নিজ নিজ বিভাগের সব প্রস্তুতি সভাপতির সরাসরি তত্ত্বাবধানে এরই মধ্যে সুষ্ঠুভাবে শেষ করেছে। বুধবার অনুষ্ঠিত দলের বর্তমান কার্যনির্বাহী সংসদের সর্বশেষ বৈঠক সম্মেলনের শেষ সেশন পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। এ বৈঠকেই প্রত্যেকটি উপ-কমিটি তাদের প্রস্তুতি অবহিত করে এবং গঠনতন্ত্র প্রণয়নবিষয়ক উপ-কমিটি উত্থাপিত সংশোধিত গঠনতন্ত্রে চূড়ান্ত সম্মতি দেয়া হয়। সংশোধিত গঠনতন্ত্রে কার্যনির্বাহী সংসদের আকার ৭৩ থেকে ৮১ সদস্যবিশিষ্ট করার প্রস্তাব করা হয়। এতে প্রেসিডিয়ামের ৪টি, ১টি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১ সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২ জন সদস্য বাড়ানোর সুপারিশে সম্মতি দেয় কার্যনির্বাহী সংসদ। এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের ঘোষণাপত্র। সেটিও এদিন চূড়ান্ত সম্মতি লাভ করে। সম্মেলনে কাউন্সিলররা সংশোধিত গঠনতন্ত্র ও ঘোষণাপত্র অনুমোদন করবেন।
কার্যনির্বাহী সংসদের সর্বশেষ এ বৈঠকে অনুমোদন করা হয়েছে সম্মেলনের কাউন্সিলর তালিকা। এবারের সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন ৬ হাজার ৭০০ জন কাউন্সিলর ও সমসংখ্যক ডেলিগেট। এর আগে দফতর উপ-কমিটি ডেলিগেট তালিকাও চূড়ান্ত করে। সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য বৃহস্পতিবার ৩ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে চেয়ারম্যান এবং ড. মশিউর রহমান ও সাবেক সচিব রাশিদুল আলমকে সদস্য করে এ নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে।
সাড়ম্বরে সম্মেলন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্থাপন করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন নৌকা আকৃতির বিরাট মঞ্চ। সাজানো হয়েছে চারপাশ তথা পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ আশপাশের এলাকা। আলোকসজ্জার পাশাপাশি গাছগুলোতে করা হয়েছে সাদা-লাল রং। মঞ্চে যাওয়ার রাস্তাগুলোয় আলোকসজ্জার পাশাপাশি সম্মেলনের পোস্টার-ব্যানার দিয়ে আচ্ছাদিত করা হয়েছে। এরই মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের জেলা-উপজেলার উল্লেখযোগ্য সড়ক, স্থান ও স্থাপনা সাজানো হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে অসংখ্য তোরণ। করা হয়েছে আলোকসজ্জা। সন্ধ্যা হলেই লাল-নীল আলোয় রঙিন হয়ে উঠছে শহর-বন্দর-রাজপথ। একইভাবে আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দলীয় সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবন এবং তার সরকারি কার্যালয়সহ রাজধানীর উল্লেখযোগ্য সড়কগুলো বিভিন্নভাবে সাজানো হয়েছে।
সারা দেশের দলীয় কার্যালয়গুলোও সম্মেলন উপলক্ষে রঙিন করে সাজানো হয়েছে। এবারই প্রথম ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, সভাপতি শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয় ছাড়া অন্য দলীয় নেতাদের ছবি ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। দলীয় নির্দেশ কঠোরভাবে এবার মানা হয়েছে। কোনো কোনো পোস্টারে এবার শেখ রেহানা, তার ছেলে ববি ও পুতুলের ছবিও ব্যবহৃত হয়েছে। সম্মেলনের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ঘিরে গড়ে তোলা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ ছাড়া উদ্যানের চারপাশের রাস্তা, নগরীর সবক’টি প্রবেশ পথ এবং অন্যান্য স্থানেও নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। রং-বেরংয়ের কাপড় দিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো সম্মেলনস্থল। মঞ্চের দু’পাশে রাখা হয়েছে দলীয় সাবেক নেতাদের প্রতিকৃতি। ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্মেলনস্থলে উপস্থাপন করা হবে আওয়ামী লীগের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নের চিত্র। মঞ্চের সামনে ১৫ হাজার অতিথির বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য দেশী-বিদেশী অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিশ্বের ১১টি দেশের ৫২টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দেয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্যে কানাডা, রাশিয়া, ইতালি, অস্ট্রিয়া থেকে অতিথিরা এসে পৌঁছেছেন। দেশে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সংগঠনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিদেশী অতিথিদের বরণ করতে গঠন করা হয়েছে ২০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি। যারা সম্মেলনস্থলে ফুল দিয়ে বরণ করে নেবেন তাদের। এছাড়া এসব অতিথিকে চমকে দেয়ার জন্য আছে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি। তাদের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে হোস্ট অফিসার এবং করা হয়েছে গেস্ট কার্ড।
সম্মেলনের বিভিন্ন প্রকাশনা ছাপানো সম্পন্ন করা হয়েছে। সভাপতির ভাষণ, সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট, শোক প্রস্তাব ছাপানো শেষ। প্রচারণার জন্য বানানো হয়েছে একাধিক সিডি। সেখানে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য, আওয়ামী লীগ বিএনপির প্রতিটি খাতে তুলনামূলক পদক্ষেপের চিত্র, বিএনপি-জামায়াতের সহিংস আন্দোলনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কাউন্সিলর-ডেলিগেটদের দেয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে ব্যাগ ও টুপি।
সম্মেলনে আগতদের আপ্যায়নের খাদ্য উপ-কমিটি নিয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠেয় এ সম্মেলনে আগত কাউন্সিলর ডেলিগেট এবং অতিথিদের ৩ বেলা খাবারের ব্যবস্থা করবে তারা। এরই মধ্যে ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার ক্যাটারিং সার্ভিসকে খাবার সরবরাহের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। মোরগ পোলাও, কাচ্চি বিরিয়ানি, ফিরনি, কোমল পানীয়, পানি ও পান দিয়ে আপ্যায়িত করা হবে আগতদের।
রাজধানীর প্রবেশ পথগুলোতে তৈরি করা হয়েছে রিসিপশন গেট। সেখানে অপেক্ষারত স্বেচ্ছাসেবকরা আগতদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেবে। স্বেচ্ছাসেবকরা শুধু রিসিপশন গেটেই নয় দায়িত্ব পালন করবে সম্মেলনস্থলেও। সেখানে ৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক সম্মেলন সুচারুভাবে সম্পন্নের জন্য শৃংখলা রক্ষার কাজ করবে।
সম্মেলনস্থলে স্বাস্থ্য ক্যাম্প গড়ে তোলার পাশাপাশি রাজধানীর বাসস্ট্যান্ড ও ট্রেন স্টেশনগুলোতে থাকছে স্বাস্থ্য ক্যাম্প। প্রতিটি ক্যাম্পে চিকিৎসকের পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে কাজে লাগে এমন সব ধরনের ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। সম্মেলনস্থলে থাকবে একাধিক অ্যাম্বুলেন্স।
এবারের সম্মেলনের স্লোগান তৈরি করা হয়েছে অনেক আগেই। ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছি দুর্বার, এখন সময় বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার’ স্লোগানে অনুষ্ঠিত হবে সম্মেলন। উপভোগ্য করে তোলা হবে পুরো অনুষ্ঠান। এজন্য উদ্বোধনী অধিবেশন এবং প্রথম দিন সন্ধ্যায় থাকছে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এরই মধ্যে থিম সং গাওয়ানো হয়েছে জনপ্রিয় গায়ক বাপ্পা মজুমদারকে দিয়ে। যিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তা পরিবেশন করবেন। এছাড়া থাকবে জাতীয় সঙ্গীত, দেশাত্মবোধক গান, নাচ, কবিতা আবৃত্তি, বিভিন্ন উপজাতির নিজ নিজ সংস্কৃতির গান ও নাচ।
কমিটিতে যারা থাকতে পারেন : এদিকে দলের সম্ভাব্য কমিটি নিয়ে সর্বত্র জল্পনা-কল্পনা চলছে। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন চারদিকে এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছে। তার সমর্থক ও অনুসারীরা দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মিছিল-স্লোগানে তাকে অভিনন্দিত করছেন। এছাড়া প্রেসিডিয়ামে নতুন অন্তর্ভুক্তি নিয়েও চলছে আলোচনা আর হিসাবনিকাশ। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী এ ফোরামে ঢুকতে পারেন বলে আলোচনায় আছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অব.) ফারুক খান, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, নির্বাহী সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ।  সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আসতে পারেন এমন আলোচনায় আছেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য সুজিত রায় নন্দী, এনামুল হক শামীম, আমিনুল ইসলাম আমিন, এসএম কামাল হোসেন, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব সাইফুজ্জামান শেখর, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাইনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।  পদোন্নতির তালিকায় থাকা আরও নেতারা হলেন প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ডাব্ল–, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ-দফতর সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু প্রমুখ।  কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদে যে কোনো পদে আসতে পারেন এমন ব্যক্তিদের মধ্যে আলোচনায় খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল ইসলাম ঠাণ্ডু, ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক এবিএম রিয়াজুল কবির কাওসার, ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব বাদল রায়, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ, অভিনেত্রী কর্মী শমী কায়সার, ডা. নূজহাত চৌধুরী, উমা চৌধুরী, সাবেক ছাত্রনেতা মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ। দলের উপদেষ্টা পরিষদ বরাবরের মতো এবারও হবে ৪২ সদস্যবিশিষ্ট। তবে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল, মেধাবী, সৎ ও ইমেজ সম্পন্ন ব্যক্তিদের দিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ সাজানো হবে।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।