আটকানো যাচ্ছে না মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা!

13

চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৩ জনের প্রাণহানি
সারা দেশে করোনায় আরও ২২৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১১ হাজার ৫৭৮
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশে আটকানো যাচ্ছে না করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আবারও দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ২২৫ জনের। এনিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৮৯৪ জনে। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ১১ হাজার ৫৭৮ জনের শরীরে। এদিকে, গতকাল চুয়াডাঙ্গায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১০০ জনের শরীরে। গতকাল মেহেরপুরে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬ জন। গতকাল ঝিনাইদহে করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে আরও পাঁচজনের। গতকাল নমুনা পরীক্ষার কোনো ফলাফল প্রকাশ করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ।
চুয়াডাঙ্গা:
চুয়াডাঙ্গায় করোনা আক্রান্ত হয়ে একজন ও উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ১০০ জনের শরীরে। গতকাল জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ চুয়াডাঙ্গার ৩৯৬টি নমুনার ফলাফল প্রকাশ করে। এর মধ্যে ১০০টি নমুনার ফলাফল পজিটিভ ও ২৯৬টি নমুনার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। জেলায় নতুন আক্রান্ত ১০০ জনের মধ্যে সদর উপজেলার ৪৪ জন, আলমডাঙ্গা উপজেলার ২৬ জন, দামুড়হুদা উপজেলার ১২ জন ও জীবননগরের ১৮ জন রয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২২.২৫ শতাংশ। এনিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৫ হাজার ৪৩৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলার ২ হাজার ৩৪৩ জন, আলমডাঙ্গার ৯৩৮ জন, দামুড়হুদায় ১ হাজার ১১৯ জন ও জীবননগরে এক হাজার ৪০ জন। গতকাল জেলায় নতুন ৮১ জন সুস্থ হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট সুস্থ হয়েছে ৩ হাজার ১৫৭ জন।
গতকাল জেলায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যে নতুন একজনের মৃত্যুর সংখ্যা এখনো যোগ করা হয়নি। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে এনিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৫৯ জনের। এর মধ্যে ১৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে জেলায় ও করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এ জেলার বাইরে। এদিকে, এখন পর্যন্ত জেলায় চিকিৎসাসেবা কাজে নিয়োজিত ৮৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭১ জন সুস্থ হয়ে তাঁদের কর্মস্থলে পুনঃরায় যোগদান করেছেন। অন্য ১৩ জন প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গতকাল সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি গ্রামের নিটর আলী মণ্ডলের মেয়ে আমেনা বেগম (৬০)-এর মৃত্যু হয়েছে। তিনি করোনা করোনা উপসর্গ নিয়ে চলতি মাসের তিন তারিখ সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের ইয়োলো জোনে ভর্তি হন। গত ১০ জুলাই তারিখে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে তাঁর নমুনায় করোনা শনাক্ত হওয়ায় ওইদিনই তাঁকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রোববার দুপুর দেড়টার দিকে মৃত্যু হয় আমেনা বেগমের।
গতকাল করোনা উপসর্গ নিয়ে সদর হাসপাতালের ইয়োলো জোনে মৃত্যু হওয়া অন্য তিনজন হলেন- চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ও সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলাতদিয়ার এরাকার মৃত আছির উদ্দীনের মেয়ে রাজিয়া বেগম (৬০), একই উপজেলার ভুলাটিয়া গ্রামের কালু সর্দারের মেয়ে ফুলজান বেগম (৬২) ও আলমডাঙ্গা উপজেলার রুইতনপুর গ্রামের কাশেম আলীর মেয়ে আকলিমা (৫০)। এছাড়াও গতকাল উপসর্গ নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জাফরপুর এলাকার জাফর আলীর স্ত্রী নিলুফা (৩৫) নামের অপর এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে পরিবারের সদস্যরা নিলুফাকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম ফাতেহ্ আকরাম জানান, গতকাল জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতাল আইসোলেশন একজনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা উপসর্গ নিয়ে ইয়োলো জোনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। এছাড়াও অন্য এক জনের মৃত্যু হয়েছে নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইন অবস্থায়। ঠান্ডা-জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর পর করোনা প্রটোকলে নিহতের লাশ পরিবারের সদস্যদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে জেলায় আক্রান্ত হয়ে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে মৃত্যু হয়েছে মোট ১৪২ জনের ও জেলার বাইরে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৭ জনের।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ করোনা পরীক্ষার জন্য গত বৃহস্পতিবার ৪৩৮টি, শুক্রবার ৫৪টি ও শনিবার ৩৮৬টি নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া পিসিআর ল্যাবে প্রেরণ করে। গতকাল উক্ত নমুনা ও পূর্বের পেন্ডিং নমুনার মধ্যে ৩৯৬টি নমুনার ফলাফল প্রকাশ করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। গতকাল জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ আরও ৩৭০টি নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করেছে।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী জেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট নমুনা সংগ্রহ ১৯ হাজার ৭৯১টি, প্রাপ্ত ফলাফল ১৯ হাজার ৫২৫টি, পজিটিভ ৫ হাজার ৪৩৫ জন। জেলায় বর্তমানে ২ হাজার ১১৯ জন হোম আইসোলেশন ও হাসপাতাল আইসোলেশনে রয়েছে। এর মধ্যে হোম আইসোলেশনে আছে ১ হাজার ৯৮৯ জন ও হাসপাতাল আইসোলেশনে ১৩০ জন। জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৫৯ জনের। এর মধ্যে জেলায় আক্রান্ত হয়ে জেলার হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে মৃত্যু হয়েছে ১৪২ জনের। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় আক্রান্ত অন্য ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে জেলার বাইরে। তবে গতকাল সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নতুন একজনসহ জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০ জনে। এর মধ্যে জেলার হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে মৃত্যু হয়েছে ১৪৩ জনের এবং অন্য ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে জেলার বাইরে।
মেহেরপুর:
মেহেরপুরে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রাত নয়টায় মেহেরপুর সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জিন এক্সপার্ট ল্যাবে পরীক্ষিত ১৮৭টি নমুনার ফলাফল প্রকাশ করে এর মধ্যে ৫৬টি নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন আক্রান্ত ৫৬ জনের মধ্যে সদর উপজেলার ২৩ জন, গাংনী উপজেলার ২২ জন ও মুজিবনগর উপজেলার ১১ জন রয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৯.৯৫ শতাংশ। মেহেরপুর সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় মোট পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ৭৮৪ জন। এর মধ্যে সদরে ২০৬ জন, গাংনীতে ৪৮২ ও মুজিবনগরে ৯৬ জন। এ পর্যন্ত মেহেরপুরে মারা গেছেন মোট ৯৬ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলার ৪১ জন, গাংনী ৩৫ জন ও মুজিবনগরে ২০ জন।
ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিস থেকে করোনা পরীক্ষার কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। ঝিানাইদহ সিভিল সার্জন ডা. সেলিনা বেগম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনা আক্রান্ত তিনজন ও উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে আরও ২ জন। তবে গতকাল পিসিআর ল্যাব থেকে ঝিনাইদহরে করোনা পরীক্ষার কোনো ফলাফল আসেনি।
সারা দেশ:
দেশে আটকানো যাচ্ছে না করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা। মাঝে সংক্রমণের হার কিছুটা কমলেও বর্তমানে দেশে ভাইরাসটি মহামারির আকার ধারণ করেছে। সে হিসেবে বর্তমানে সংক্রমণের হার দৈনিক প্রতিদিনই প্রায় ৩০ শতাংশের মতো। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা ভাইরাসের নিয়মিত বুলেটিনে দেখা যায়, গতকাল দেশে ভাইরাসটিতে শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৫৭৮ জন। এনিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১ লাখ ৩ হাজার ৯৮৯ জন। এ পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে গত ১২ জুলাই সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৭৬৮ জন ব্যক্তি ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন, আর ১১ জুলাই সর্বোচ্চ ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিলো। সেই সঙ্গে গত ১১ জুলাই থেকে প্রতিদিনই দুই শতাধিক ব্যক্তি ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৮৯৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮ হাজার ৮৪৫ জন। এনিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৩২ হাজার ৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছে মৃত্যু হয়েছে ১৭ হাজার ৮৯৪ জন। যেখানে ঢাকা বিভাগে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ১৮ জুলাই পর্যন্ত মারা গেছেন ১৭ হাজার ৮৯৪ জন যার মধ্যে ঢাকা বিভাগেই সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫৯৩ জন। যেখানে মৃত্যুহার ৪৮ দশমিক ০২ শতাংশ। ঢাকার পর চট্টগ্রামে ৩ হাজার ২৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে যেখানে মৃত্যুহার ১৮ দশমিক ২০ শতাংশ। এরপর খুলনায় ২ হাজার ২০২ জন, রাজশাহীতে ১ হাজার ৩৯০ জন, রংপুরে ৮৪২ জন, সিলেটে ৬৩৪ জন, বরিশালে ৫৩৪ জন ও ময়মনসিংহে ৪৪৩ জন। এদিকে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হিসেবে শীর্ষ দশে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে (৯ জুলাই পর্যন্ত) বিশ্বে যে সব দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন দশম।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব বলছে, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখেছে ব্রাজিল। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ভারত। আর নতুন রোগী শনাক্তের দিক থেকে বিশ্বে দ্বাদশ অবস্থানে বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতেও ঈদকে সামনে রেখে আগামীকাল ১৫ জুলাই থেকে ২৩ জুলাই ভোর ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ তুলে দিয়ে দেশব্যাপী চলবে গণপরিবহন, খোলা থাকবে দোকানপাট ও শপিংমল। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সারাদেশে গত ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় সেই বিধি-নিষেধের মেয়াদ ধাপে ধাপে বাড়িয়ে আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে এর মেয়াদ আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে বাংলাদেশ সরকার করোনা ভাইরাসের প্রকোপ মোকাবিলায় সবাইকে টিকার আওতায় আনতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি করছে। সেই হিসেবে বর্তমানে দেশটিতে ৩৫ বছরের ঊর্ধ্বে সবার জন্য গণটিকাদান শুরু করেছে।