আজ স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস

528

index

নিজস্ব প্রতিবেদক: সময়টা ১৯৮৩। ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ডাকে ছাত্র জমায়েত। মজিদ খানের কুখ্যাত শিক্ষানীতি প্রত্যাহার, বন্দী মুক্তি ও জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে এই জমায়েত। সেটাই পরিণত হল বুট ও বুলেটে-দমিত জনতার এক বিরাট প্রতিরোধে। জাফর, জয়নাল, কাঞ্চন, দিপালীসহ সারাদেশে প্রাণ দিল ১০জন। সরকারি হিসাবে গ্রেপ্তার হয় ১ হাজার ৩১০ জন। সেই থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি হয়ে ওঠে মুক্তিকামী মানুষের প্রতিরোধ চেতনার দিন। সে থেকে দিনটি পালিত হচ্ছে ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এক সামরিক অভুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে। শাসক শ্রেণীর রাজনৈতিক দলগুলো এরশাদের এভাবে ক্ষমতা দখলকে মোকাবিলা করতে সেদিন চূড়ান্ত অক্ষমতা প্রদর্শন করে। বরং অনেকটা নীরবেই তারা এরশাদের স্বৈরশাসন মেনে নেয়। কিন্তু ছাত্ররা এ সামরিক অভ্যুত্থান মেনে নেয়নি । তাই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বিশেষত ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্র নিহত হওয়ার পর থেকেই দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে ওঠে। স্বৈরাচার এরশাদ ক্ষমতায় ছিল আট বছর ২৫৬ দিন। এ দীর্ঘ নয় বছরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে হাজার হাজার মানুষ কারাবরণ করেছে, হত্যা-গুমের শিকার হয়েছে অসংখ্য নারী-পুরুষ, কিন্তু থামেনি আন্দোলন। চলবে..