আজ আমরা তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ

4

আলমডাঙ্গায় ১০ টাকা কেজি দরে পুষ্টি চাল বিতরণের উদ্বোধনকালে ডিসি নজরুল ইসলাম
আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় ১০ টাকা কেজি দরে পুষ্টি চাল বিতরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হাউসপুরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রনি আলম নুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আশ্রয়হীনদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা, ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজ দীর্ঘবছর পর হলেও তাঁর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই কাজ করে দেখাচ্ছেন। আজ আমরা তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ইতোমধ্যে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত করেছি। এখন আমাদের লক্ষ্য উন্নতশীল দেশে রুপান্তরিত করা। আমরা সেই লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। আপনারা জানেন, বৈশ্বিক মহামারির কারণে আমরা কিছুটা পিছিয়ে পড়েছি। তবে আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক দেশের চাইতে ভালো। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে কথা দিয়েছিলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে আপনাদের ১০ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়াব। আজ আমরা ১০ টাকা কেজি চাল বিতরণ কাজের উদ্বোধন করে গেলাম। এটা শুধু চাল নয়, পুষ্টিযুক্ত চাল।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার টোটন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. সালমুন আহম্মদ ডন ও উপজেলা কৃষি অফিসার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা আব্দুল হামিদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ওসিএলএসডি মিয়ারাজ হুসাইন, ট্যাগ অফিসার মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মাকসুরা জান্নাত, ইউপি চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম দিপু, খাদ্য পরিদর্শক রাকিবুল ইসলাম, জেলার কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক আনিসুর রহমান, উপজেলা মিল চাতাল মালিক সমিতির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।
আলমডাঙ্গায় মোট ২০ জন ডিলার উপজেলার ৫ হাজার ২৪৫ জন ভুক্তভোগীকে ১০ টাকা কেজি দরে পুষ্টি চাল বিক্রি করবেন। প্রত্যেকে ৩০ কেজি করে চাল কিনতে পারবেন।