চুয়াডাঙ্গা বুধবার , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আজানের ইতিহাস

সমীকরণ প্রতিবেদন
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৬ ১:০১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ধর্ম ডেস্ক: আবদুল্লাহ ইবনে জায়েদ রসুলেপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিদের মধ্যে অন্যতম বড় সাহাবি। আল্লাহতায়ালা আবদুল্লাহ ইবনে জায়েদ (রা.)-কে স্বপ্নে আজান শিখিয়েছেন। স্বপ্নে আজান শিখে সকালেই রসুলেপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে স্বপ্নের কথা শোনালেন। রসুলেপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুনে চিন্তায় পড়ে গেলেন। তখনই জিব্রাইল (আ.) তাশরিফ আনেন এবং বললেন, আবদুল্লাহ ইবনে জায়েদ স্বপ্নে যে আজানটির কথা বলেছে আল্লাহতায়ালা তার দিলের মধ্যে ঢেলেছেন তার বুর্জুগির কারণে। আপনি এটাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে ইসলামের একটি বিধান হিসেবে ঘোষণা করে দিন। রসুলেপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আবদুল্লাহ তুমি কত ভাগ্যবান! আমি নবী থাকাবস্থায় আমার কাছে ওহী না এসে আল্লাহতায়ালা তোমাকে আজান শিখিয়েছেন, আবার আল্লাহতায়ালা জিব্রাইল (আ.)-কে পাঠিয়েছেন তোমার বলা আজানকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য। সত্যি আজকে আজানের আলোচনা হাদিসে এলে মুহাদ্দিসীনরা ইতিহাস বলতে গেলে প্রথমেই তার নামটা নিয়ে আসেন। কিন্তু তিনি যে আজান দিতেন সেই আজানের আওয়াজ ছোট ছিল। যে পরিমাণ আওয়াজ বুলন্দ করতে বা ছোট করতে হয় আবার দম রাখতে হয় তিনি পারতেন না। ফলে তার জন্য সুন্নত মোতাবেক আজান দেওয়া কঠিন ছিল। এ জন্য রসুলেপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে এনে বললেন, তোমার আওয়াজ ছোট, সেই জন্য তুমি আজান না দিয়ে বেলালকে শিখিয়ে দাও। তাহলে আল্লাহপাক তোমাকে আজান দেওয়ার পুরো সওয়াব দেবেন। আর বেলাল (রা.) আজান দেবে কারণ তার আওয়াজ সুন্দর এবং খুব বড় আওয়াজ। ফলে আজানের উদ্দেশ্য মানুষকে শুনানো, যাতে সবাই মসজিদে আসে, তোমার তুলনায় তার দ্বারা বেশি লাভ হবে তাই বেলালকে শিখিয়ে দাও। আবদুল্লাহর (রা.) দিলের মধ্যে সামান্যতম আফসোস আসেনি সঙ্গে সঙ্গে তিনি বেলাল হাবশী (রা.)-কে আজান শিখিয়ে দেন।  তখন থেকে বেলাল হাবশী (রা.) রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিযুক্ত হন।

দৈনিক সময়ের সমীকরণ সংবিধান, আইন ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে।