অস্বচ্ছ্বল পরিবারের স্কুলপড়ুয়া জান্নাতি ফাতেমার সরল অভিব্যক্তি

278

ডিসি স্যার আমাকে অনেক ভালোবাসেন
বিশেষ প্রতিবেদক: শিশুদের যদি জিজ্ঞাসা করা হয় কে তোমাকে সবচাইতে বেশি ভালোবাসে? প্রতি উত্তরে শোনা যায়, আব্বু-আম্মু, ভাই-বোন আরো আত্মীয় স্বজনের কথা। কিন্তু জান্নাতি বললো- ডিসি স্যার আমাকে অনেক ভালোবাসেন। কেনো? কারণ- সরকারি গুরু দায়িত্বে¡র বাইরে অনেক কিছুই করতে হয় জেলা প্রশাসকদের। সব বিভাগে দায়িত্ব বন্টন করা থাকলেও এ পদে থাকা মানুষটির কাজের অন্ত নেই। মানতে হবে যে-জনসেবায় প্রশাসন। খুব অল্প সময়ে আর সবার থেকে একটু ভিন্নরমক কাজে জনগণের খুব কাছের মানুষ হিসেবে সুখ্যাতি ছড়িয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস। বলছিলাম জান্নাতির ভালোবাসার কথা। অস্বচ্ছ্বল ও হতদরিদ্র পরিবারের স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থী জান্নাতি ফাতেমা। বয়স ১০-১২। পিতা- জাহাঙ্গীর আলম, মাতা- বিউটি খাতুনের আদুরে কন্যা সে জেলা শহরের প্রভাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গতকাল রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দেখা হয় তার সঙ্গে। প্রশ্ন করেছিলাম- এখানে কী কাজে এসেছো তুমি? এখানে তো বড়রা আসে। জান্নাতি জানালো- ডিসি অফিসে সবাই আসতে পারে। হোক প্রয়োজনে কি বা কারো সঙ্গে দেখা করতে। তুমি কার সঙ্গে দেখা করতে এসেছো? সে বলে- আমার ডিসি স্যারের সাথে। শেষ প্রশ্ন ছিল- কে তোমাকে বেশি ভালোবাসে? জান্নাতি বলে- ডিসি স্যার আমাকে অনেক ভালোবাসেন।
এদিকে মিডিয়া সেল সূত্র জানায়, গতকাল রোববার সকালে নিজ কার্যালয়ে শিশু শিক্ষার্থী জান্নাতি ফাতেমাকে স্কুলড্রেসসহ শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করেন জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস। তবে তা কোন অনুদান হিসেবে নয়, ভালোবাসার নিদর্শন স্বরুপ।