অরিন্দমে রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী অনুষ্ঠানে ডিসি জিয়াউদ্দীন চুয়াডাঙ্গা অন্যতম সাংস্কৃতিক শহর

449

DSCN5159

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গয় অরিন্দম সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী উৎসব। “অগ্নিবীণার বীণা বাজে-গীতঞ্জলির গান, সে পেয়েছে ছাড় পত্র এক” এই স্লোগানে গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় চুয়াডাঙ্গা শ্রীমন্ত টাউন হলে এ আয়োজন করে সংগঠনটি।     অরিন্দম সভাপতি ইয়াকুব আলী জোয়ার্দ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ। এসময় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমাদের দেশের কবি সাহিত্যিকরা সুন্দর সামাজ গঠনের কথা বলেছেন, জীবনের জয়গানের কথা বলেছেন ও প্রগতির কথা বলেছেন। আমরা নজরুলকে প্রথম দিকে তাকে কোন প্রধান্য দেয়নি। তবে বর্তমান সরকার ২০০৯ সালের পরে নজরুলকে অনেকটাই এগিয়ে নিয়ে এসেছে। তাছাড়া রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করে গেছেন আজীবন।    সাংস্কৃতি ক্ষেত্রে চুয়াডাঙ্গা জেলার ভূয়সী প্রশংসা করে জেলা প্রশাসক বলেন, এ জেলাকে বলা হয় সাংস্কৃতির অন্যতম শহর। পাশের জেলা কুষ্টিয়াতে রয়েছে লালনের জন্মভূমি। সেখানেও রয়েছে রবীন্দ্রনাথের বিচরণ ক্ষেত্র কুঠিবাড়ি। তাই আজ সাংস্কৃতিক চর্চায় এ জেলার মানুষ অন্য সব জেলার তুলনায় এগিয়ে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক মুন্সী জাহাঙ্গীর আলম মান্নান। আব্দুস সালামের প্রানবন্ত সঞ্চালনায় রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত’কে নিয়ে আলোচনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক হামিদুর রহমান,আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নওরোজ মোহাম্মদ সাঈদ ও চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মুন্সী আবু সাঈফ। আলোচনাসভা শেষে অরিন্দম সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনায় নৃত্য ও গানের অনুষ্ঠান এবং নাটক “রিক্তের বেদন” মঞ্চস্থ করা হয়। নাটকটির নির্দেশনায় আছেন নাট্য অভিনেতা কন্ঠশিল্পী হিরণ উর রশিদ শান্ত ও রচনা করেছেন অরিন্দম সভাপতি বজলুর রহমান জোয়ার্দ্দার।