৭২ ঘণ্টা পার, ভাঙা হবে সব অবৈধ স্থাপনা

103

কার্পাসডাঙ্গায় সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা সরাতে প্রশাসনের আল্টিমেটাম
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীনপাড়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পাশে সরকারি জায়গায় ২০-২৫ জন অসাধু ব্যক্তি জবরদখল করে বাঁশের তৈরি দোকান ঘর নির্মাণ করেছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমান ওই সব স্থাপনা সরিয়ে ফেলার জন্য তিন দিন (৭২ ঘণ্টা) সময় বেঁধে দেন। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশ না মেনে রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো মতেই পিছপা হাটছে না কতিপয় অসাধু ব্যক্তিরা। এখনো পর্যন্ত নেয়নি স্থাপনা সরানোর কোনো উদ্যোগ। অবৈধ স্থাপনা যাতে না সরাতে হয়, তার জন্য কতিপয় অসাধু ব্যক্তিরা উপর মহলে দৌঁড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বলেও জানা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, কিছু নামধারী রাজনৈতিক নেতার সহযোগিতায় সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে। সরকারি ওই জমিতে স্থাপিত দোকানগুলি মাসিক চুক্তিতে ভাড়া দেওয়া হবে। এতে সরকারের লাখ লাখ টাকা ক্ষতি হবে। তাই এখনি সময় এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা।
কার্পাসডাঙ্গা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল বিশ্বাস মিঠু বলেন, ‘ওই জমিতে আমার একটা টিনের ছাউনি দেওয়া ছিল। ইউএনও স্যার বলার পরে আমি সরিয়ে নিয়েছি। আশা করি বাকিরাও সরিয়ে নিবে।’
গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন দিন সময় বেঁধে দেন এবং ওই দিন তিনি বলেন, তিন দিনের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ফেলা না হলে আইনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত সিংহ বলেন, কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীন পাড়ার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পাশে যে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে, তা সরিয়ে নেওয়ার জন্য ইউএনও স্যার তিন দিন সময় বেঁধে দেওয়ার পরও তারা এই ঘর সরিয়ে নেয়নি। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্থাপনাগুলো ভেঙে দেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমান বলেন, ‘আমি সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত সিংহকে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছি।’