১৭ সেপ্টেম্বর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা

82

দর্শনায় যুবলীগের কর্মী পল্টু হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত
দর্শনা অফিস:
‘যতক্ষণ পর্যন্ত পল্টু হত্যার বিচার না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা থেমে থাকব না। আসামিরা অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, আমরা ওই সব হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর দর্শনা শহরে পল্টু হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করা হবে। পর্যায়ক্রমে জেলা শহরে মানববন্ধন করে জেলা প্রশাসক ও এসপি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এ ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামে আমার জন্ম, এ গ্রামের মাটির সঙ্গে আমি বেইমানি করতে পারব না। পল্টু এ গ্রামের ছেলে, তাঁকে যারা হত্যা করেছে, তাদের বিচার না করে আমরা গ্রামবাসী কেউ থামব না। এ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দর্শনা পৌর এলাকার সব গ্রাম ও মহল্লার মানুষকে নিয়ে একটি সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি করে আন্দোলনে নামতে হবে। দর্শনায় আর কোনো সন্ত্রাসীর হাতে কেউ যাতে খুন না হয়, সে জন্য পদক্ষেপ নেব।’
গতকাল শুক্রবার দর্শনায় যুবলীগের কর্মী পল্টু হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি ও মন্জুরকে আহত করার প্রতিবাদে সমাবেশ ও আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন দর্শনা পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান।
উল্লেখ্য, দর্শনায় যুবলীগের কর্মী পল্টুকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে গত ২৩ আগস্ট প্রকাশ্যে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা ও একই গ্রামের মৃত ফরজ আলীর মন্জুর আহম্মেদকে (৩৪) মারাত্মক আহত করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পল্টুর ভাই মঈনউদ্দিন বাদী হয়ে গত ২৪ আগস্ট দামুড়হুদা থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। যার মামলা নম্বর ৪৩, তারিখ ২৪-০৮-২০১৯। আসামিরা হলেন দর্শনা মোবারক পাড়ার আলী হোসেনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৪২), কবির খালাসীর ছেলে শেখ আসলাম তোতা (৪৩), দর্শনা পুরাতন বাজারের জিয়াউল হকের ছেলে দিপু রেজা (৪১), মোবারকপাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাইফুল ইসলাম ওরফে বাংলা (৪১), বাদল খানের ছেলে মো. আলম (৪৩), ডা. শামসুল ইসলামের ছেলে মো. সোহেল (৪০) ও ইমারত আলীর ছেলে আশিক (২০)। এ ঘটনার পর ওই সাত আসামি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ দিনের মধ্যে নি¤œ আদালতে আত্মসমর্পণের শর্তে ১০ দিনের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট।