১২ ঘণ্টা পার না হতেই উঠছে রাস্তার খোয়া!

112

সমীকরণ প্রতিবেদক:
মেহেরপুর গাংনী উপজেলার চোখতোলা-ধর্মচাকী রাস্তার কার্পেটিংয়ে বিটুমিনের পরিবর্তে পোড়া মবিল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। পোড়া মবিল ব্যবহারের ফলে কার্পেটিংয়ের ১২ ঘণ্টা পার হতে না হতেই খোয়া উঠতে শুরু করেছে। চোখতোলা টু ধর্মচাকী ১৫০০ মিটার রাস্তা পাকাকরণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে প্রায় ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদার উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঁতাত করে বিটুমিনের পরিবর্তে পোড়া মবিল দিয়ে রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করেন। প্রথম থেকেই স্থানীয় লোকজন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুললেও ঠিকাদারসহ সংশ্লিষ্ট বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের কেউ তা নজরে নেয়নি। গত বৃহস্পতিবার সকালে কাজ শেষের ১২ ঘণ্টার মাথায় রাস্তার কার্পেটিং উঠে গেলে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। কাজটি করেছেন স্থানীয় ঠিকাদার মকলেচুর রহমান। রাস্তাটি পাইলিংয়ের সময় রাস্তার পাশে আড়াই ইঞ্চি পরপর ইট দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে ২ ও ৩ নম্বর ইটের খোয়া। রাস্তায় নিম্নমানের নির্মাণ-সামগ্রী ব্যবহার হলেও উপজেলা প্রকৌশলী গোলাফ আলী শেখ কাজ তদারকি না করে অফিসে বসে থাকেন বলেও অভিযোগ তোলেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা বলেন, ঠিকাদার মকলেচ দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাটি নির্মাণ করছেন। তিনি রাস্তায় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তার কাজ করছেন। কার্পেটিংয়ে বিটুমিনের পরিবর্তে পোড়া মবিল ব্যবহার করেছেন। ফলে রাস্তার খোয়া উঠতে শুরু করেছে। গাংনী উপজেলা প্রকৌশলী গোলাফ আলী শেখ যোগদান করার পর থেকে গাংনী উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের-সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এ বিষয়ে এলাকাবাসী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কমনা করছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী গোলাফ আলী শেখ জানান, রাস্তায় বিটুমিনের পরিমাণ কম দেওয়ায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেতে পারে। আজ (গতকাল) শুক্রবার আমি কাজের সাইডে যেতে পারিনি, কাল (আজ) সকালে সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি দেখব। এক মাস না হলে বোঝা যাবে না।