১০জন পরিচ্ছন্নতা কর্মীসহ হাসপাতালের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের আশ্বাস

301

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে বঙ্গজ-তাল্লু গ্রুপের এমডি রফিকুল হক মুন্নু

নিজস্ব প্রতিবেদক: শুধু সরকারি উদ্যোগই নয়; বেসরকারি উদ্যোগেও উন্নয়ন হচ্ছে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের। যাবতীয় সুবিধা অসুবিধা নজরে আনতে পারলে অচিরেই সম্ভব সদর হাসপাতালকে মডেল হাসপাতালে রুপান্তর করা। এজন্য দরকার সঠিক সিদ্ধান্ত, কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা এবং ওই কাজের যথাযথ পর্যবেক্ষণ। এমনই নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও পৌর মেয়রের আহ্বানে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় আকস্মিক চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের পরিবেশ দেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার স্বার্থে ১০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগের আশ্বাস দিয়েছেন সদ্য প্রয়াত শিল্পপতী হাজী মোজাম্মেল হকের বড় ছেলে বঙ্গজ-তাল্লু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল হক মুন্নু। তিনি বলেন, ‘জন্মস্থানের মানুষের জন্য কিছু করতে পারাটা গর্বের বিষয়। এখানকার স্বাস্থ্য সেবাদানে অগ্রণী ভূমিকা রাখে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল। সে কারণে হাসপাতাল উন্নয়নে সহযোগিতা করতে পারাটাও আমার কাছে গর্বের। তাই প্রথমপর্যায়ে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখনে ১০জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ করে দিচ্ছি। পরবর্তীতে আরো কোনও প্রয়োজন হলে আমাকে জানালেই আমি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’ এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসা সেবা ও কার্যক্রম পরিদর্শন করে পরিচ্ছন্নতার জন্য প্রয়োজনীয় ক্যামিকেল, বিভিন্ন ওয়ার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাক শয্যা ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেন। এদিকে জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে একটি- প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মিড ডে মিল চালু করণে ৫ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে টিফিন বক্স তুলে দেওয়ার ইচ্ছে পোষণ করেন তিনি। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘ক্রমবর্ধনাম যুগের সাথে তাল মেলাতে প্রয়োজন সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা। এ কাজে সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে তা আরো সহজ হয়ে যায়। কিছুদিন আগে সদর হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নকরণসহ কয়েকটি কাজ নিয়ে আমরা কার্যক্রম শুরু করি। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে অনেকেই এগিয়ে আসছেন। বঙ্গজ-তাল্লু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মত সকলে যদি এগিয়ে আসেন তবে সদর হাসপাতালের উন্নয়ন কর্মকান্ড আরো বেগবান হবে।’ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সদর হাসপাতাল পাইলট সাপোর্ট কমিটির সভাপতি পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু, প্যানেল মেয়র একরামুল হক মুক্তা, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাসুদ রানা, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হাজী মাহবুবুর রহমান মিলন, কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মনি, মুন্সী রেজাউল করিম খোকন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জানিফ, যুগ্ম সম্পাদক জাকির হুসাইন জ্যাকী প্রমূখ। এ ছাড়াও বঙ্গজ-তাল্লু গ্রুপের এমডি পতœী রেডিও টুডে’র পরিচালক মোশফিকা হক’ও উপস্থিত ছিলেন।