হে ঈমানদার নেশা করো না

154

ধর্ম ডেস্ক: পবিত্র কোরআন ইরশাদ হচ্ছে, হে ঈমানদাররা মদ, জুয়া, প্রতিমা, লটারি এ সবই শয়তানের কাজ। তোমরা তা থেকে দূরে থাক। আশা করা যায়, তোমরা সাফল্য লাভ করবে। (সূরা মায়িদা-৯০)। কোরআন মজিদে অন্যত্র বলা হয়েছে, ‘শয়তান মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে শত্র“তা ও হিংসা-বিদ্বেষের সৃষ্টি করতে চায় এবং আল্লাহর জিকির ও নামাজ থেকে তোমাদের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তাই তোমরা এসব থেকে বিরত থেক। (সূরা মায়িদা-৯১)। পবিত্র কোরআন মাজিদে আরও বর্ণিত আছে, তারা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলে দিন, দুটোর মধ্যেই রয়েছে মহাপাপ। যদিও এতে মানুষের জন্য কিছুটা উপকারও রয়েছে। এগুলোর পাপ উপকারের চেয়ে অনেক বড়। (সূরা বাকারা-২১৯)। মদকে সম্পূর্ণ হারাম করা হয়েছে। এটা কেনাবেচা এবং পান করাও হারাম। তাই আল্লাহর এই হুমুককে মানবসমাজে ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে। মদ খেলে মানুষের বিবেক নষ্ট হয়। ফলে সমাজে সব ধরনের অপরাধপ্রবণতা বেড়ে যায়। মাদকবিরোধী বক্তব্য মসজিদে মসজিদে ইমামদের রাখা প্রয়োজন। এতে অভিভাবকরাও সচেতন হবে আবার তরুণরাও মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানতে পারবে। বুখারি শরিফের এক হাদিসে হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূল (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের আলামতে রয়েছে, অজ্ঞতা ও মূর্খতা বেড়ে সমাজে ইলম হ্রাস পাবে, জেনা-ব্যভিচার প্রকাশ্য হতে থাকবে। পুরুষের সংখ্যা হ্রাস পাবে, নারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এমন হবে যে, পঞ্চাশজন নারীর পরিচালক হবে মাত্র একজন পুরুষ। ইসলাম মদকে হারাম করে সেই সঙ্গে এর শাস্তি ঘোষণা করেছে; মদপানকারীকে ৪০ দোররা মারা হতো। হজরত ওমর (রা.)-এর সময় ৮০ দোররা মারা হয়। বাংলাদেশে মাদকের বিষয়ে আইন আছে এবং শাস্তির বিধানও আছে। এখন প্রয়োজন যথাযথভাবে আইনের প্রয়োগ এবং মাদকের ছোবল থেকে সমাজ এবং দেশকে হেফাজত করা।