হাপানিয়া বাজারে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ারের সাথে যুবকের কথা কাটাকাটি প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলায় ভাঙচুরসহ নারী-পুরুষ আহত

236

fffff

আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের গ্রামের বাড়িতে প্রতিপক্ষরা হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও কমপক্ষে চারজন নারী-পুরুষকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ওই মারপিটের ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে দেলোয়ারের ভাই ঠান্ডু বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন গত পরশু বৃহস্পতিবার বিকেলে তার গ্রামের বাড়ি হাপানিয়ায় যান। এ সময় বাজারে চা দোকানে তার সাথে কিছুলোক বসে চা খাচ্ছিলেন। পাশেই দাাঁড়ানো খায়রুল নামের এক যুবকের সাথে দেলোয়ারের কথা কাটাকাটি হয়। খায়রুল ঘটনাটি ইনতাজ মেম্বরকে গিয়ে জানালে উত্তেজনা বাড়ে। তারা লাঠিসোটা নিয়ে জড়ো হতে থাকে। উত্তেজিত খবর দেলোয়ার গ্রুপের কাছে পৌছলে তার ভাই মন্টু, ঠান্ডুসহ এই গ্রুপের লোকজনও জড়ো হন।
হাঁপানিয়া পুলিশ ক্যাম্পের আইসি মাহমুদ আলী জানান, দুই পক্ষের উত্তেজনা শুনে তিনি পুলিশ নিয়ে দুই পক্ষকেই শান্ত করেন। তিনি ওই এলাকায় মোতায়েনও রাখেন। কিন্ত সকাল ৮টার দিকে একদল যুবক ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়িতে এসে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ভাইস চেয়ারম্যানের ভাই মন্টু, ছেলে ইমরান, স্ত্রী লাভলী বেগম ও মা আয়েশা বেগম আহত হন। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইনতাজ মেম্বর জানান, গ্রামের মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু তিনি বাইরে থাকায় দায়িত্ব পালন করেন তার ছোট ভাই মন্টু। সম্প্রতি মসজিদের জমির দুইটি বড় গাছ কেটে সীমানা প্রাচীর দেয়া হয়। সেই খরচের হিসাব চাওয়া নিয়ে মন্টুর সাথে কথা কাটাকাটি হয় ইনতাজসহ গ্রামের কিছু মাতুব্বরের।
ইনতাজ মেম্বর বলেন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ারের ভাই মন্টু গ্রামের কাওকে দাম দেয়না। মসজিদের খরচের কোন হিসেবও দেয় না। হিসেব চাওয়ায় মন্টু খেপে যায় তাদের ওপর। এই নিয়েই গোলযোগ। তারা আমাদের ওপর হামলা করতে এসেছিল। আমরা প্রতিরোধ করেছি মাত্র।