হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে স্থায়ী নিয়োগ পেলেন জীবননগর খয়েরহুদার কৃতী সন্তান ড. কে এম হাফিজুল আলম

782

এ আর ডাবলু:
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার খয়েরহুদা গ্রামের কৃতী সন্তান ড. কে এম হাফিজুল আলম অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে স্থায়ী নিয়োগ পেয়েছেন। সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে এ নিয়োগ দেন। গত শুক্রবার এই নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে তাঁদের নিয়োগ কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইনবিষয়ক সচিব গোলাম সারওয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ড. কে এম হাফিজুল আলম চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের খয়েরহুদা গ্রামের মৃত ডা. আমির হোসেনের চার সন্তানের মধ্যে তৃতীয় সন্তান। তিনি ৩ রা মার্চ ১৯৭৪ সালে খয়েরহুদা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৫ সালে মানবিক বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে ম্যাট্ট্রিক পাশ করেন, পরে যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে ১৯৮৮ সালে মানবিক বিভাগে এইচএসসিতে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি আইন বিষয়ে ‘এলএলবি’ তে অনার্স ও মাষ্টার’স প্রথম বিভাগে পাশ করে। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পিএইচডি লাভ করেন। ২০০২ সালে তিনি ঢাকা আইনজীবি সমিতির সদস্য হয়ে আইন পেশায় নিযুক্ত হন এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা জর্জ কোর্টে দীর্ঘদিন তিনি সুনামের সহিত বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি হিসাবে তালিকাভুক্ত হন এবং ঢাকা হাইকোর্টে বিশিষ্ট আইনজীবি সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিষ্টর শফিক আহম্মেদর সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ মে, সংবিধানের ৯৮ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি দুই বছরের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে ১৮ জনকে নিয়োগ দেন। পরদিন শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তাদের ওই নিয়োগ কার্যকর হয়। তিনি যেন ন্যায়ের পথে থেকে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে পারেন এজন্য চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীসহ দেশবাসীর নিকট দোয়া প্রার্থনা করেছেন। এদিকে ড. কে, এম হাফিজুল আলম হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ায় মাননীয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি মহোদয়কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন খয়েরহুদা, জীবননগরসহ চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসী।