স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র সুরক্ষায় ভাসানী অনুপ্রেরণা

77

চুয়াডাঙ্গায় মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে ভাসানীর অনুসারী পরিষদের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা মহকুমা ন্যাপ ভাসানী সাবেক সভাপতি অ্যাড. কামরুল আরেফিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শেখ, সিপিবির সম্পাদক লুৎফর রহমান, ওয়ার্কাস পার্টির (ভিন্নমত) আহ্বায়ক সৈয়দ মজনুর রহমান ও কেন্দ্রীয় যুব মৈত্রী সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন অর রশিদ। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অ্যাড. নুরুল হক, অ্যাড. আ স ম আব্দুর রউফ, হাবিবুর রহমান মংলা, ফেরদৌস আরা সুন্না, জহির বায়হান, খলিলুর রহমান, অধ্যাপক কাজী আশফাক আলী, লুৎফর রহমান প্রমুখ।
সভায় মওলানা ভাসানীর জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে আলোকপাত করে বক্তারা বলেন, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী তাঁর কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি তৎকালীন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন। লাইন-প্রথা উচ্ছেদ, জমিদারদের নির্যাতনবিরোধী আন্দোলনসহ সারা জীবনই সাধারণ মানুষের কল্যাণে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন তিনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি সর্বদলীয় ওয়ার কাউন্সিলের উপদেষ্টা ছিলেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন তিনি। বক্তারা আরও বলেন, ‘স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র সুরক্ষায় মওলানা ভাসানী যুগ যুগ ধরে আমাদের প্রেরণা যোগাবে। তিনি ছিলেন নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর, তিনি সা¤্রাজ্যবাদ আধিপাত্যবাদ ও অত্যাচারী শাসক এবং শোষক গোষ্ঠীর প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।’