সালামের তাৎপর্য

37

ধর্ম প্রতিবেদন:
সালাম হোক মুমিন মুসলমানের অভিভাদনের একমাত্র মাধ্যম। সুন্নাতই হোক জীবন পরিচালনা একমাত্র উৎস। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমরা মানুষকে খাওয়াবে আর চেনা-অচেনা সবাইকে সালাম দেবে।’ সালাম দেয়া নবির সুন্নাত ও নির্দেশ। আর সালামে বাধা দেয়া শয়তানের কাজ। কারণ সালাম-এর ৪ ধরনের উপকারিতা থেকে বিরত রাখতেই শয়তান মানুষকে সালাম দিতে নিরুৎসাহিত করে। সালাম কেন দেবেন? আল্লাহ তাআলা সালাম দিতে বলেছেন। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাম দেয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু কখন এ সালাম দেবেন? যখন কারও সঙ্গে দেখা হয় তখন সালাম দিতে হয়। এ সালাম দেয়া রয়েছে অনেক উপকার ও সাওয়াব। শুধু দেখা-সাক্ষাতেই সালাম সীমাবদ্ধ নয় বরং কারো সঙ্গে দেখা করার জন্য তার বাড়িতে গিয়ে ঘরে প্রবেশের আগে সালাম দেয়া জরুরি। আবার বাহিরের কাজ শেষে নিজ বাড়িতে গিয়ে ঘরে প্রবেশের সময় সালাম দেয়া। সালাম দেয়া প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন- فَإِذَا دَخَلْتُم بُيُوتًا فَسَلِّمُوا عَلَى أَنفُسِكُمْ تَحِيَّةً مِّنْ عِندِ اللَّهِ مُبَارَكَةً طَيِّبَةً كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الْآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُون অতপর যখন তোমরা ঘরে প্রবেশ কর, তখন তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম বলবে। এটা আল্লাহর কাছ থেকে কল্যাণময় ও পবিত্র দোয়া। এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্যে আয়াতসমূহ বিশদভাবে বর্ননা করেন, যাতে তোমরা বুঝে নাও। [ সুরা নুর ২৪:৬১ ] এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা সালামকে কল্যাণ ও পবিত্রতার দোয়া হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। হাদিসের বর্ণনায় সালামের অনেক উপকারিতার কথা উঠে এসেছে। হাদিসের বর্ণনায় সেগুলো হলো- সালামে বরকত লাভ হয়, সালামকারীকে আল্লাহ হেফাজত করেন, সালাম দিলে সাওয়াব হয় ও সালাম হলো দোয়া: পরস্পরের সালাম বিনিময় বা একে অপরকে অভিভাদন করাটা মূলত দোয়া। সালামের অর্থের দিকে তাকালেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।