সহজ লক্ষ্যেও ভারতের কাছে হারল বাংলাদেশ

42

খেলাধুলা ডেস্ক:
ভারতের বিপক্ষে ১০৭ রানের সহজ লক্ষ্য নিয়েও পারল না বাংলাদেশ। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৩ ওভারে ১০১ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের যুবাদের ইনিংস। তাই লক্ষ্যের খুব কাছে গিয়েও মাত্র ৫ রানের হারে যুব এশিয়া কাপের শিরোপা হাতছাড়া হয়ে গেলো বাংলাদেশের। গতকাল শনিবার এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৪ রানে চার উইকেট হারিয়ে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে আকবর ও শাহাদাত জুটি গড়ে এগুতে থাকেন। তবে দলীয় ৪০ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদায় নেন শাহাদাত। সেই ধারায় শামীমও ফিরে যান দলীয় স্কোরে ১১ রান যোগ হতেই। সপ্তম উইকেটে আকবর ও মৃত্যুঞ্জয় ২৭ রানের জুটি গড়ে ফের আশা জাগান। দলীয় ৭৬ রানে বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ থাকে। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হতেই আউট হয়ে যান দুই সেট ব্যাটসম্যান আকবর ও মৃত্যুঞ্জয়। আকবর ইনিংস সর্বোচ্চ ২৩ ও মৃত্যুঞ্জয় ২১ রান করেন। নবম উইকেটে তানজিম সাকিব ও রকিবুল ফের দলের হাল ধরেন। এই দুজন জুটিতে করেন ২৩ রান। দলীয় শত রান পূর্ণ হতেই তানজিম (১২) ফিরেন। আর কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই নতুন করে মাঠে নামা শাহিন আলম আউট হলে হার নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের। রকিবুল ১১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। অন্য কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। ভারতের অথর্ব অঙ্কলেকার একাই পাঁচ উইকেট নেন। এছাড়া তিন উইকেট নেন আকাশ সিং। এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ যুবাদের বোলিংয়ে তোপের মুখে পড়ে ভারত। শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে জুনিয়র টাইগাররা। দুই পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও তানজিম হাসান সাকিব পরপর দুই ওভারে অরুন আজাদ (০) ও তিলাক বার্মাকে (২) ফেরান । রান আউটে কাটা পড়ে পার্কার (৪)। চতুর্থ উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক ধ্রুব জুরেল ও রাওয়াত। তারা ৪৫ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু বাংলাদেশের অফস্পিনার শামীম নিজের প্রথম ওভারেই নেন দুই উইকেট। রাওয়াত ১৯ রানে এলডিব্লিউ হওয়ার পর লাভান্ডে পয়েন্টে মৃত্যুঞ্জয়ের হাতে ক্যাচ দেন শূন্য রানে। আনকোলেকারকে রান আউট করেন মাহমুদুল হাসান জয়। শামীমের চতুর্থ ওভারে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে ক্যাচ দেন ভারতের অধিনায়ক জুরেল। কারান লালের কল্যাণে কোনোমতে তিন অঙ্কের দেখা পায় ভারত। মৃত্যুঞ্জয়ের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে কারান লাল করেন ৩৭ রান। বাংলাদেশের সেরা বোলার স্পিনার শামীম। ছয় ওভারে দুই মেডেনে আট রানে তিন উইকেট নেন তিনি। মৃত্যুঞ্জয় পেয়েছেন তিন উইকেট।