সভাপতি-সম্পাদকসহ আ.লীগ ৯, বিএনপির ৬

200

চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন
বিশেষ প্রতিবেদক:
উৎসবমুখর পরিবেশে চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এবার বিভিন্ন পদে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীরা নয়টি ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থরা ছয়টি পদে জয়লাভ করেছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সমিতির মিলনায়তনে বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়। এবার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ১৭৪ জন ভোটারের মধ্যে ১৭০ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে ১০টি ভোট বাতিল বলে গণ্য হয়। ভোট গণনা শেষে রাত আটটায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
এবারও ১৫টি পদের বিপরীতে দুটি প্যানেল থেকে ৩০ জন প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী ও সমমনা আইনজীবী পরিষদ-সমর্থিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নয়টি পদে জয়লাভ করেছেন প্রার্থীরা। এ ছাড়া বিভিন্ন পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন জয়লাভ করেছেন। নির্বাচিত প্রার্থরা হলেন সভাপতি পদে মোল্লা আব্দুর রশিদ, সহসভাপতি পদে আব্দুল খালেক ও মামুন আকতার, সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল বাশার, সহসাধারণ সম্পাদক পদে মাসুদ পারভেজ রাসেল ও হুমায়ুন কবীর এবং সদস্য পদে মফিজুর রহমান মফিজ, হাসিবুল ইসলাম ইব্রাহিম, আসাদুজ্জামান মিল্টন, শরিফুল ইসলাম, আতিয়ার রহমান, আবু তালেব, মাসুদুর রহমান রানা, নাসির উদ্দিন ও শাহিন আকতার। ভোট গণনা শেষে নির্বাচন পরিচালনা উপপরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. আব্দুর রশীদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন।
কে কত ভোট পেলেন:
সভাপতি পদে আলহাজ্ব মোল্লা আব্দুর রশিদ ৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ হেদায়েত হোসেন আসলাম পেয়েছেন ৭৭ ভোট। সহসভাপতি (২ জন) পদে ১০২ ভোট পেয়ে আব্দুল খালেক ও ৭৫ ভোট পেয়ে (লটারি) মামুন আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন। অপর দুই প্রার্থী একলাছুর রহমান (কাজল) পেয়েছেন ৭৫ ভোট ও আলহাজ্ব শাহজাহান আলী পেয়েছেন ৬৮ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল বাশার ৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মইন উদ্দীন (মইনুল) পেয়েছেন ৬৯ ভোট। যুগ্ম সম্পাদক (২ জন) পদে ৮৮ ভোট পেয়ে মাসুদ পারভেজ (রাসেল) ও ৮১ ভোট পেয়ে এস এম হুমায়ুন কবীর নির্বাচিত হয়েছেন। অপর দুই প্রার্থী আনারুল হক ও আসলাম উদ্দীন ৭৬টি করে ভোট পেয়েছেন। সদস্য (৯ জন) পদে নাসির উদ্দীন ৮২ ভোট, মাসুদুর রহমান রানা ৮৫ ভোট, রুবিনা পারভীন রুমা ৮২ ভোট, আবু তালেব ৮৫ ভোট, আসাদুজ্জামান মিল্টন ৯৪ ভোট, আতিয়ার রহমান ৮৫ ভোট, নাজমুল আহসান ৯৫ ভোট, মফিজুর রহমান (মফিজ) ৯৯ ভোট ও শরিফুল ইসলাম ৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সদস্য পদে অন্যদের মধ্যে আমজাদ আলী শাহ ৬৪ ভোট, মমতাজ খাতুন ৭২ ভোট, ইজাজুল ইসলাম (ইজাজ) ৬৭ ভোট, হুমায়ুন কবীর (মামুন) ৭১ ভোট, শাহিন আক্তার ৮২ ভোট, মেহেদী হাসান (নয়ন) ৮২ ভোট, আব্দুল মালেক সিকদার ৬৩ ভোট, জহুরুল ইসলাম ৭৫ ভোট ও হাসিবুল ইসলাম (ইব্রাহিম) ৬৮ ভোট পেয়েছেন।