ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে -বিএনপি নেতা শরীফ

122

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশি বেষ্টনির মধ্যে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এর ঠিক পরেই চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদ চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করতে গেলে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন নেতা-কর্মীরা। পুলিশের বাধায় শোভাযাত্রাটি বের করতে না পারায় সাহিত্য পরিষদ চত্বরেই এক আলোচনা সভা হয়। আলোচনা সভায় জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চিৎলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বিপ্লবে সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং জনগণকে তাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে। বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধ্বংস করার পায়তাঁরা শুরু হয়েছে। রাতারাতি বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে অনেকে যোগদান করছে, এমন নেতা-কর্মী আমাদের দরকার নেই। যদি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের একজন বিএনপি কর্মীই মাঠেন থাকে, এটাই যথেষ্ট। আগামী দিনে সকল ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। দল কারো বাপের সম্পত্তি নয়। আপনি দলের জন্য পরিশ্রম করবেন, তারপর আপনি দলের হবেন। নতুন নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। দীর্ঘদিন যারা নেতৃত্ব দিয়ে আসছে, সেই নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটাতে হবে। পরিবর্তন না ঘটালে, যেই অবস্থায় আমরা আছি, সেই অবস্থার কোনো পরিবর্তন হবে না। আপনারা যারা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হতে চান, তারা ৯টি ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করুন। মাঠপর্যায় থেকে যাদের গুরুত্ব দেওয়া হবে, জেলা থেকেও তাদের গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

শরীফুজ্জামান শরীফ আরো বলেন, ‘দিনে বিএনপি, রাতে আওয়ামী লীগ, এই ধরণের নেতাদেরকে চিহ্নিত করুন। তাদেরকে বার্তা পৌঁছে দিন, তাদের পরিহার করা হবে। তাঁেদর বিএনপিতে ঠাঁই নাই। আপনারা সতর্ক হয়ে যান। বিএনপি কারো বাপ দাদার সম্পত্তি নয়। কাগজে নেতা হয়ে লাভ নেই। শহীদ জিয়ার আদর্শের হতে হবে।’ এসময় প্রধান অতিথি যুবদলের নেতা-কর্মীদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়ে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে নামতে প্রস্তুত থাকার অঅহ্বান জানান।
চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মো. রাজিব খানের সার্বিক পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল জব্বার, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, পৌর কাউন্সিলর ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মনি, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক আবু, আহবায়ক কমিটির সদস্য ও মহিলা দলের নেত্রী জাহানারা বেগম, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাহমুদ হাসান পল্টু, সদর থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম নজু, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম পিটু, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল হক রোকন, জেলা বিএনপির সাবেক তথ্যবিষয়ক সম্পাদক ও বাড়াদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তবারক হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ইয়াছিন হাসান কাকন, জেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, জেলা যুবদলের সাবেক নেতা মনিরুজ্জামান লিপটন, আলুকদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, খাদিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেরেগুল ইসলাম বিশ্বাস, জেলা যুবদলের সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম সোহেল, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন হাবলু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মুকুল, জেলা যুবদলের সদস্য মহিবুল রহমান মাহাবুব, শমসেরের আলী সমে, খাইরুল আলম, রফিকুল ইসলাম, ইমরান মহলদার রিন্টু, আলমডাঙ্গা হাফিজুল রহমান হ্যাপি, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব কনক, রোকুনুজ্জামান সোহাগ, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বাবু, হাসান মালিক, সুমন, সাইফুল মেম্বার, আমীর মেম্বার, মশিউর রহমান, হামিদ উদ্দিন হামিদ, হাসান কাজী, হাসিবুল, শাফায়েত, শামীম, আব্দুল রহীম, মহাসিন, হাবিবুর রহমান রাজিব, তুহিন ইসলাম, মিঠু, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি সরাজ, শামসুল হক ঝন্টু, প্রচার সম্পাদক মাবুদ সরকার, রনি আলম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান ও আরিফ আহমেদ শিপ্লব।