শৈলমারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে নানা গুঞ্জন

313

দর্শনা আফিস: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের শৈলমারী গ্রামে ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে কয়েক মাস ধরে সাধারন অভিভাবক সদস্যদের মধ্যে নানা গুঞ্জন অব্যাহত রয়েছে। জানা গেছে, ২৬৫ জন সদস্য নিয়ে শৈলমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি। গত ২৮ শে ডিসেম্বর বিগত কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও এখনো পর্যন্ত কোন কমিটি গঠন হয়নি। সাধারন অভিভাবক সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায়, নতুন কমিটি গঠনের জন্য গত ৪ই জানুয়ারী বিকাল ৩টায় সকল সাধারন অভিভাবক সদস্যদের স্কুলমাঠ প্রাঙ্গনে ডাকা হলেও একাধিক পদে একাধিক সদস্য পদপ্রার্থী হওয়ায় সিলেকশনে ম্যানেজিং কমিটি গঠন না হয়ে সকল সদস্যগন নির্বাচনের পক্ষে রায় দেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিষটির সমাধানও চেয়েছেন। এছাড়া প্রধান শিক্ষক গত ১৯ শে ফেব্রুয়ারী সকল সদস্যদের তলব করেন বিদ্যালয়ে। এসময় শতাধিক সাধারন সদস্য উপস্থিত হয়। একই সমস্যার কারনে কমিটি গঠন না হলে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হবে বলে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত রেজ্যুলেশনে সাক্ষর হয়। ওই সময় ৩০শে মার্চ তফসিল ঘেষনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরই মধ্যে ১০ই এপ্রিল উপজেলা শিক্ষা অফিসার উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা করেন এবং কোন কোন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়নি সে সকল বিদ্যালয়ের তড়িঘড়ি কমিটি গঠনের জন্য বলেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৮ শে এপ্রিল শৈলমারী গ্রাম সহ পার্শবর্তী গ্রামে মাইকিং করে সকল সাধারন অভিভাবক সদস্যের গতকাল বেলা ২টার সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়। বিগত কয়েক দফা বসার পরও যখন পরিচালনা কমিটি গঠন হয়নি এ সংশয়ে গতকাল উপস্থিত হয় খুবই অল্প সংখ্যক সদস্যের। ২৬৫ জন সাধারন অভিবাবক সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৪জন। এছাড়া গণ্যমান্য ব্যক্তির মধ্যে বেগমপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারন সম্পাদক হাবিবুল্লাহ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি শাহাজান আলী, সাইফুল ডা.আজিবার, আনোয়ার হোসেনসহ মোট ২৬ জন। কিন্তু এ ২৬ জন উপস্থিতে ৬ জনকে বিদ্যুাতৎসাহী সদস্য করে একটি তালিকা প্রস্তুত করে উপস্থিতিরা। যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত। কারন সাধারন সদস্যের এক তৃতীয়াংশ উপস্থিতি না থাকলে কোন কমিটির তালিকা প্রস্তুত করা কতটুকু বৈধ তা নিয়ে সাধারন মানুষ ও সদস্যদের মনে সংশয় থেকেই যায়? এবিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দৃষ্টি আর্কষণ করেছে অভিভাবক সদস্যরা।