শেষ ওভারে চার ছক্কায় খুলনার জয়ের নায়ক আরিফুল

42

খেলাধুলা প্রতিবেদন:
বড্ড কঠিন সমীকরণ ছিল। খুলনার জয়ের জন্য দরকার ৬ বলে ২২ রান! অথচ দিনের প্রথম ম্যাচে রাজশাহীর বিপক্ষে ৬ বলে ৯ রানই নিতে পারেনি ঢাকা। কিন্তু খুলনা পেরেছে। কারণ তাদের ছিল আরিফুল হক। এক মেহেদী হাসান যেখানে মাত্র ৬ রান দিয়ে জিতিয়েছিলেন রাজশাহীকে। সেখানে আরেক মেহেদী হাসান মিরাজ হজম করলেন ৪ ছক্কা। তাতেই সব ওলটপালট। তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশালের দেওয়া ১৫৩ রানের লক্ষ্য খুলনা ছুঁয়ে ফেলে এক বল আগে, ৪ উইকেট হাতে রেখে। নিজের দল নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলেন প্রথম মুখোমুখিতেই। অথচ সেই দলটা চমকে দিলো টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ফেভারিট দলকে। তাইতো সহজ লক্ষ্যে শেষ ওভারে জিতলো খুলনা। এ ম্যাচে ক্রিকেটপ্রেমীদের আলাদা নজর ছিল ভিন্ন কারণে। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দীর্ঘদিন পর সাকিব আল হাসান ফিরছেন, এ কারণে বাড়তি উচ্ছ্বাস, উদ্দীপনা ছিল। কিন্তু প্রত্যাবর্তনে সাকিব ভালো কিছু করতে পারেননি। ৪ ওভারে ১৮ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। ব্যাটিংয়ে ১৩ বলে ১৫ রান। তবে তার ব্যাটিংয়ের পারফরম্যান্স আড়াল হয়ে যায় আরিফুল ঝড়ে। শুধু সাকিবই নয়, এনামুল হক (৪), ইমরুল কায়েস (০), মাহমুদউল্লাহদের (১৭) ব্যর্থতা আড়াল করেন আরিফুল। ৩৪ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৮ রানের নজরকাড়া ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। দারুণ অবদান রাখেন জহুরুল ইসলাম অমি। ২৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৩১ রান। শামীম হোসেন ১৮ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় করেন ২৬ রান। দলে তারকার ছড়াছড়ি থাকলেও ঘরোয়া ক্রিকেটের পরীক্ষিত পারফরর্মার জিতিয়েছে খুলনাকে। বরিশালের পক্ষে বল হাতে ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ, সুমন খান। ব্যাটিংয়ে তামিমের দলের সেরা ছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। বাঁহাতি ওপনার ৪২ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় করেন ৫১ রান। হাসেনি তামিমের ব্যাট, ৩ বাউন্ডারিতে করেন ১৫ রান। মিরাজ ওপেনিংয়ে ফিরে রানের খাতা খোলার আগে আউট হন। এছাড়া বরিশালের আফিফ হোসেন ২, তৌহিদ হৃদয় ২৭, ইরফান শুক্কুর ১১ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২১ রান করেন। মাহমদউল্লাহ শিবিরের সেরা বোলার ছিলেন শহীদুল ইসলাম। ৪ ওভারে ১৭ রানে ডানহাতি পেসার নেন ৪ উইকেট।