শব্দ দূষণে ভোগান্তি, স্বাস্থ্যঝুঁকি!

223

জীবননগরে অনুমোদন ছাড়াই চলছে যত্রতত্র মাইকিং
মিঠুন মাহমুদ:
জীবননগরে অনুমোদন ছাড়াই যত্রতত্র মাইকিংয়ের ফলে শব্দ দূষণে ভুগছে স্থানীয় লোকজন। জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল হতে না হতেই জীবননগর শহরে মুরগি, গরু-ছাগল, ইলিশ মাছসহ নানা ধরনের মালামাল বিক্রির জন্য শুরু হয় প্রচার-প্রচারনা, চলতে থাকে গভীর রাত পর্যন্ত। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাইকিং করার ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাসহ সাধারণ মানুষেরা প্রতিনিয়ত ভুগছেন শব্দ দূষণে।
এ বিষয়ে জীবননগর ডিগ্রি কলেজের ছাত্র শাওন বলেন, ‘সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মাইকিং করার ফলে উচ্চ শব্দে আমাদের পড়াশোনা করতে ব্যাপক সমস্যা হয়। সামনে আমাদের পরীক্ষা আর এই সময় যদি প্রতিনিয়িত মাইকিং চলতে থাকে, তা হলে শব্দ দূষণের কারনে পড়াশোনা ব্যাহত হবে। আমরা এ শব্দ দূষণ থেকে মুক্তি চাই।’
জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা অসুস্থ আয়ুব আলী বলেন, ‘আমি দুই দিন যাবৎ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি। সকাল থেকে যেভাবে মাইকিং করা হয়, তাতে করে ব্যাপক শব্দ দূষণে ভুগছি।’
জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জুলিয়েট পারউইন বলেন, শব্দ দূষণের কারণে মানুষের অনেক সমস্যা হতে পারে, বিশেষ করে উচ্চ শব্দে মাইকিং করলে কানের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকি কালা হয়ে যাওয়ারও সম্ভবনা থাকে।
এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, মাইকিং করার বিষয়ে নিয়ম করে দেওয়া হয়েছে। পৌরসভার মধ্যে মাইকিং করতে হলে পৌর মেয়রের অনুমতি নিয়ে মাইকিং করতে হবে, ইউনিয়নের মধ্যে করতে হলে ইউপি চেয়ারম্যানের অনুমতি নিতে হবে। যদি কেউ অনুমতি বাদে মাইকিং করে এবং যে সময়ের মধ্যে মাইকিং করার কথা, সে সময় বাদে অন্য সময় মাইকিং করে, তা হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।