রাতে কাশি কেন বাড়ে, কীভাবে কমাবেন

24

স্বাস্থ্য ডেস্ক:
এই সময়ে সর্দি-কাশি দেখা দেওয়া ভয়ের ব্যাপার। কিন্তু এই করোনা আবহে এটাই ত্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সর্দি-কাশি হলেই যে আপনি করোনা আক্রান্ত সেটা নয়। আমাদের শরীরের অতি পরিচিত উপসর্গ হলো কাশি। এটি মূলত শ্বাসতন্ত্রীয় রোগের উপসর্গ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ পদক্ষেপ মেনে চললে কাশির প্রকোপ কমে যায়। তারা কুসুম গরম পানি পান করতে, তরল জাতীয় খাবার খেতে, প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করতে এবং বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেন। সহজ পরামর্শ সবসময় সহজে মেনে চলা যায় না। অনেক সময় কাশির তীব্রতায় বিশ্রাম নেওয়াটাই মুশকিল হয়ে পড়ে, বিশেষ করে রাতে। কিন্তু রাতে কাশি বেড়ে যায় কেন? শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে ভালোভাবে লড়াই করার সুযোগ দিতে বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের চেয়ে ভালো বিশ্রাম আর কিই-বা হতে পারে? কিন্তু সমস্যা হলো, বিশ্রামের জন্য বিছানায় গা এলিয়ে দিতেই কাশি শুরু হয়। কাশি অনেক সময় এতোটাই বেড়ে যায় যে, ঘুম আসে না। রাতে কাশির মাত্রা বৃদ্ধির এক নাম্বার কারণ হলো মাধ্যাকর্ষণ (গ্রাভিটি)। জর্জিয়া ইনফেকশাস ডিজিজের ফিজিশিয়ান মিশেল ব্লাস বলেন, ‘যখন আমরা শুয়ে থাকি, তখন গলায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে শ্লেষ্মা জমতে থাকে। এই সমস্যা এড়ানোর উপায় হচ্ছে, শরীরের উপরের অংশ একটু উঁচুতে তুলে ঘুমানো। ফলে গলায় শ্লেষ্মা জমতে পারবে না।’ এ কাজে ওয়েজ পিলো ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক বাতাস নাক ও গলায় প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। ফলে রাতে কাশির প্রকোপ বেড়ে যায়। এ সময় কাশির তীব্রতা রোধে ঘরে হিউমিডিফাইয়ার ব্যবহার করতে পারেন। এটি ঘরের বাতাস আর্দ্র করবে এবং আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া সহজ হবে। অবশ্য হিউমিডিফাইয়ার ব্যবহারের সময় সচেতন হতে হবে। কেননা এতে যে পানি ব্যবহার করবেন তা জীবাণুমুক্ত না হলে বাতাসে জীবাণু ভেসে বেড়াবে এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।