যা রটে তার কিছু হলেও বটে : ইসি

81

সমীকরণ প্রতিবেদন:
নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, কোন প্রতিষ্ঠানের কবর রচনা করে এ দেশের মানুষ ভাল থাকতে পারে না। উপজেলা নির্বাচেন কারো কোন বেআইনি চাপে আপনারা অন্যকাজে মাথা নত করবেন না। আপনার সকল নিরাপত্তা আমি দিবো। যত দিন এ নিরাপত্তা প্রয়োজন। নির্বাচনে কোন খারাপ অভিজ্ঞতা থাকলে তা সব ভুলেযান। তিনি গতকাল শনিবার বিকেল ৫টার দিকে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা সদরে ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজের হলরুমে আসন্ন পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন কর্মকর্তাদের এক প্রশিক্ষনে এসব কথা বলেন। তিনি প্রশিক্ষনার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি আপনাদেরকে ধন্য করার জন্য আসি নাই। আমি এসেছি নিজের জ্বালা থেকে অন্তজ্বালা থেকে, নিজের কষ্টটা থেকে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আমাকে অনেক গুলো কথার মৃুখোমুখি হতে হয়। আমাদের প্রত্যেককেই অনেক গুলো বক্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়। আমাকে বলা হয়- চরমৎকার নির্বাচন করেছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আপনাদেরকে ধন্যবাদ। দেশটাকে আপনারা বাঁচিয়েছেন। আবার বলা হয়, চমৎকার নির্বাচন করেছেন,আর কি করবেন? কেমন যেন একটা প্রশ্ন। প্রশ্নটা হচ্ছে একটা বাতাস এবং আরেক দল চিৎকার করে বলে, আপনারাতো নির্বাচনের কবর দিয়ে দিয়েছেন। আমি জানি না কোনটা সত্য। কারণ আমি সারাদিন বসেছিলাম টেলিভিশনের পর্দার সামনে, একটা কোন বিক্ষিপ্ত ঘটনার কথাও টেলিভিশনে কোন দিন বলা হয়নি। টেলিভিশন থেকে কোন কিছু জানতে পারি নাই। আবার যারা পর্যবেক্ষক ছিলো তারাও একটা শব্দও উচ্চারণ করে নাই এবং পরবর্তীতে যখন লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছে তখনও কিন্তু এমন কোন কিছু বলেনি- যা দেখে আমি অনুমান করবো আমরা কোন নির্বাচনী ব্যবস্থার কবর দিয়েছি। আমি কোন অবস্থাতেও আপনাদের কাছ থেকে কোন রকম কোন কিছু পাই নাই। তার পরেও যেহেতেু কথা গুলো উঠছে দেশে ও বিদেশে। নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, আমি ধরে নিতেছি- হয়তোবা কিছু একটা আছে যা থেকে এই লোক গুলো এ কথা গুলো বলার একটা সুযোগ পেয়েছেন। অবশ্যই কিছু একটা আছে তানাহলে সুযোগ পাওয়ার কথা না। একটা বাংলার প্রবাদ আছে- যা রটে তার কিছু হলেও বটে। আমি ওটাতেই ধরে নিতেছি। কিছু একটা আছে। আর কিছু একটা আছে আমার এ বিশ্বাস থেকে আপনাদের কাছে ছুটে এসেছি। কিছু একটা আছে এবং এই কিছু একটা উপজেলা নির্বাচনে আমি থাকতে দিবো না। ওই প্রশিক্ষন শিবিরে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহারের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন, রংপুর বিভাগের আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনার জিএম শাহাদৎ হোসেন, নীলফামারী জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন, পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন প্রমুখ।