মুজিবনগরে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

71

শের খান:
মুজিবনগরে জমে উঠতে শুরু করেছে ঈদের কেনাকাটা। দোকানিরা বিভিন্ন সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে আকর্ষন করছে ক্রেতাদের। ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে মুজিবনগর উপজেলার কেদারগঞ্জ বাজারের দোকানগুলোতে বাড়ছে ঈদের বেচাকেনা। ছোট বড় সবাই ব্যস্ত ঈদের কেনাকাটা নিয়ে। প্রচন্ড গরমকে উপেক্ষা করে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ক্রেতারা। মুজিবনগর উপজেলার প্রত্যেকটি গ্রাম থেকে ও আশেপাশের এলাকা থেকে ক্রেতারা আসছে ঈদের কেনাকাটা করতে। তবে বাজারে এবার পুরুষদের থেকে মহিলা ক্রেতাদের ভিড় বেশি। এছাড়াও উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামের ছোট বড় দোকানপাটেও চলছে বেচাকেনার হিড়িক।
তবে, অন্যান্য বছরে ভারতীয় পোশাকের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এবারে তার চিত্র ভিন্ন। প্রচন্ড গরমের কারণে এবারে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা বেশি। তীব্র গরমের কারণে টিস্যু কাপড়ের চাহিদা বেশি। মেয়েদের জন্যে গাউন, কোটি, ওয়ান পিচ, এমব্রোডারি প্রিন্ট থ্রি-পিচ শাড়ীর চাহিদাও রয়েছে। তাছাড়া নতুন একটি থ্রি-পিচ এর নাম এসেছে প্রজাপতি। আর যুবকরা পাঞ্জাবীর পাশাপাশি জিন্স প্যান্টের দিকে ঝুকছে বেশি। গত বছর ফুল শার্ট বিক্রয় হলেও এবার টি-শার্ট ও পাঞ্জাবীর চাহিদাটা বেশি।
এদিকে, পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষন বাড়ানোর জন্যে দোকানের ভিতর হরেক রকমের ঝলমলে লাইটের ব্যবস্থা করেছে বিক্রেতারা। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতাদের ভিড় ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে। বাকি দশ দিনের মধ্যে এর থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি বেচাকেনা করতে পারবেন বলে আশা করছেন দোকানিরা।
কেদারগঞ্জ বাজারের কাপড় ব্যবস্যায়ী স্মার্ট ফ্যাশানের মালিক মন্টু বলেন, ‘এবারে ধানের দাম কম থাকার কারণে বেচাকেনা একটু কম। তবে আশা করছি আগামী কয়েকদিনে বেচাকেনা আরো বাড়বে।’ ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ‘এবারে পোশাকের দাম একটু বেশি। বিশেষ করে বাচ্ছাদের পোশাকের দাম একটু বেশি, তবে কেনাকাটা করে তারা সন্তুষ্টু।