মাথাভাঙ্গা নদীতে ভেসে উঠলো দু’শিশুর লাশ!

208

গাংনী অফিস: মেহেরপুর গাংনীতে একদিনের ব্যবধানে মাথাভাঙ্গা নদী থেকে আবারো ২ জন কন্যা শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। গত রোববার সকালে গাংনী উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের পীরতলা গ্রামের কোলঘেষে বয়ে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদী থেকে শিশু কন্যা সানজিদা খাতুনের (৩) মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। সানজিদা পীরতলা গ্রামের শাহ জামালের কন্যা।
জানা যায়, সানজিদার খেলার সাথী একই গ্রামের আজিরুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম (৪) পীরতলা গ্রামের কোলঘেষে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল। এ সময় সানজিদা পানিতে ডুবে গেলে তার বন্ধু আরিফুল সানজিদাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আহত হয়। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে আরিফুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এদিকে সানজিদা খাতুনের মরদেহ ১ ঘণ্টা যাবত ওই নদীতে খোঁজাখুঁজি শেষে উদ্ধার করে। এ ঘটনার একদিন পর আবারো গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়নের ভোলাডাঙ্গা গ্রামের কোলঘেষে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ২ জন কন্যা শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ওই শিশুরা হলো- ভোলাডাঙ্গা গ্রামের আরিফুল ইসলামের মেয়ে তৃপ্তি খাতুন (৩) ও প্রতিবেশী মকবুল হোসেনের মেয়ে নুসরাত (৩)। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাথাভাঙ্গা নদীর ভোলাডাঙ্গা ঘাট থেকে দু’জন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান, তৃপ্তি খাতুন ও নুসরাত দু’জনের মরদেহ নদীতে ভাসতে দেখে কয়েকজন পথচারী। এ সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় দু’জনকে উদ্ধার করে। এ সময় তৃপ্তি মারা যায়। তবে নুসরাত বেঁচে আছে ভেবে তাকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক নুসরাতকেও মৃত ঘোষণা করেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, তৃপ্তি ও নুসরাত বাড়ির পাশে মাথাভাঙ্গা নদীর পাড়ে খেলা করছিল। এ সময় অসাবধানবশত পানিতে পড়ে গিয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গাংনী থানার ওসি হরেন্দ্রনাথ সরকার (পিপিএম) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।