মহানবী (সা.)-এর আদর্শ চর্চা

182

ধর্ম ডেস্ক: মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.) গোটা মানবজাতির জন্য আদর্শ। তার অনুসরণ-অনুকরণ করার মধ্যে মানব জীবনের ঐকান্তিক সফলতা নিহিত। মুসলমান হিসেবে তাকে অনুসরণ করা, তার দেখানো পথে চলা, তার আদর্শের বাস্তবায়ন ইমানের অনিবার্য দাবি। রাসুল (সা.) ছিলেন সৃষ্টির সেরা মানুষ। নিরপেক্ষ প্রাচ্যবিদরাও অকপটে স্বীকার করেছেন যে, তিনি সব যুগের সেরা মানুষ। রাসুলের সিরাতের আদলে নিজের সামগ্রিক জীবনকে সাজাতে পারলেই সফলতা পদচুম্বন করে মানুষের। আর এ জন্য প্রয়োজন তার আদর্শের চর্চা। চর্চা অর্থ আলোচনা, অনুশীলন, পুনঃপুনঃ অভ্যাসকরণ, চিন্তা, অনুধাবন ইত্যাদি। কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে চর্চা করার অর্থ হচ্ছে আলোচনা-পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে তাকে জানা অথবা তার অনুসৃত পথ অনুসরণ করা। প্রখ্যাত ও বরণীয় ব্যক্তিদের চর্চার রেওয়াজ রয়েছে সব সমাজেই। সে হিসেবে রাসুল (সা.)-এর মতো মহামানবের জীবনের চর্চা হওয়াটা একেবারেই স্বাভাবিক। তবে অন্য বিখ্যাত ব্যক্তিদের চর্চা ও রাসুল (সা.)-এর চর্চার ভেতরে ঢের পার্থক্য রয়েছে। অন্যদের চর্চা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে জরুরি নয়। পক্ষান্তরে একজন মুসলিমের জীবনের সব কিছুতেই রাসুল (সা.)-এর অনুসরণ হচ্ছে ইবাদত। আর অনুসরণের জন্য অনুসরণীয়কে ভালোভাবে জানা একান্ত প্রয়োজন। আর এই জানার জন্য চাই অগাধ চর্চা। প্রকৃতপক্ষে সিরাতে নববী বিশাল ব্যাপ্তিময় একটি শিরোনাম। রাসুলের সিরাত চর্চা আমাদের দীনের অংশ, ইবাদাতের অঙ্গ। এর রয়েছে বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা, উপশিরোনাম ও পরিচ্ছেদ। নবী জীবনের প্রতিটি অধ্যায় ও মুহূর্তকে চুলচেরা বিশেষণ করলে সে বিষয়ে কিঞ্চিৎ ধারণা লাভ করা যেতে পারে।