ভারতে ৫ নারী স্বেচ্ছাসেবী গণধর্ষণের শিকার

231

বিশ্ব ডেস্ক: ভারতের পূর্বাঞ্চলে ঝাড়খন্ডে পাঁচ নারী স্বেচ্ছাসেবীকে বন্দুকের মুখে অপহরণ ও গণধর্ষণ করা হয়েছে। ভারতের সর্বশেষ সবচেয়ে ভয়াবহ যৌন হয়রানির ঘটনা এটি। গত মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি ও এনডিটিভি। খবরে বলা হয়, সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ঝাড়খ-ে আয়োজিত একটা ক্যাম্পেইনে একটা অলাভজনক সংস্থার পাঁচজন মহিলাকে বন্দুক তাক করে গণ ধর্ষণ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে যেসব পুরুষরা উপস্থিত ছিলেন তাদেরও প্রচুর মারধোর করা হয়েছে মঙ্গলবার তারা ঝাড়খন্ড রাজ্যের আদিবাসী অধ্যুষিত খুন্তি জেলায় মানব পাচার বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছিল। এ সময় তাদেরকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। দুর্বৃত্তরা হামলার ঘটনা ভিডিও করে। তিন ঘণ্টা পর তাঁদের সেখানে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশকে জানালে ধর্ষণের ভিডিও প্রকাশের হুমকি দেয় অপহরণকারীরা। পুলিশ কর্মকর্তা রাজেশ প্রসাদ বলেন, ওই নারীরা স্থানীয় খ্রিস্টান মিশনারি দল পরিচালিত আশা কিরণ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মরত ছিল। প্রসাদ এএফপি’’কে বলেন, অনেক লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এমনকি বেশ কয়েকটি আদিবাসী প্রধান গ্রাম ঘুরে দেখা হয়েছে। সেখানে পাথালগাদি খ্যাত আত্ম-নিয়ন্ত্রণ আন্দোলনের সমর্থকরা রয়েছে। পাথালগাদির সমর্থকরা সম্প্রতি বহিরাগতদের তাদের এলাকায় অনুপ্রবেশ ও বসবাস মেনে নিচ্ছে না। খুন্তি গ্রামে মাওবাদী সশস্ত্র গেরিলারা কয়েক দশক ধরে বিশেষত ভূমির অধিকার প্রতিষ্ঠায় সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। এনডিটিভি’র খবরে বলা হয়, ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণ প্রমাণিত হয়েছে এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। নয়া দিল্লিতে ২০১২ সালে এক নারীকে গণধর্ষণ ও হত্যার পর সেখানে অকস্মাৎ গণ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনা ভারতের প্রতি বিশ্বের দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। বাসস ও এনডিটিভি।