বিশ্বকাপ না বৃষ্টিকাপ!

65

খেলাধুলা ডেস্ক:
বৃষ্টিতে ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে ভারতের খেলা। সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ৭ টায় ফের একবার খতিয়ে দেখার কথা ছিল। তবে খেলা শুরু করা যায়নি। আর আধঘণ্টা পরেও খেলা চালু না করা গেলে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হতে পারে। বৃষ্টি মাঝেমধ্যে বন্ধ হলেও পুরোপুরি থামছে না। আউটফিল্ড ভিজে। সেই মাঠ খেলার উপযোগী করে তোলা সম্ভব হলে, তবেই মাঠে বল গড়াবে। না হলে ম্যাচ পরিত্যক্ত। ভারত ও নিউজিল্যান্ড দুই দলই চলতি টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত অপরাজিত। কোহলিরা যেমন হেলায় হারিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়াকে। তেমনই নিউজিল্যান্ড পরপর হারিয়েছে তিন এশীয় দলকে- শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানকে। অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটতে থাকা দুই দলের সামনেই অপরাজিত থাকার চ্যালেঞ্জ নটিংহ্যামশায়ারে। যদিও ভাগ্যদেবতা তাদের সেই সুযোগ দেবে কিনা, সন্দেহ। রয়েছে বৃষ্টির ভ্রুকুটিও। সবমিলিয়ে গরমা-গরম ম্যাচে বাধা হয়ে দাড়িয়েছে প্রকৃতি। ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৮৩, ১৯৮৭, ১৯৯২, ১৯৯৬, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭, ২০১১, ২০১৫ আগের এই এগারো আসরের কোন আসরেই দুটির বেশি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়নি। কিন্তু এবার টুর্নামেন্টের অর্ধেকও যায়নি কিন্তু ইতিমধ্যেই ৩টি ম্যাচ পরিত্যক্ত। যার মধ্যে দুটিতে টস করাও সম্ভব হয়নি। আজকের ম্যাচটিও পরিত্যক্ত হতে যাচ্ছে। এবারের বিশ্বকাপে এখন অব্দি ৩ ম্যাচ পন্ড হয়েছে বৃষ্টির কারণে। ৭ জুন ব্রিস্টলে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান ম্যাচ দিয়ে শুরু। সেদিন বৃষ্টি বাঁধায় টসই হয়নি, বল মাঠে গড়ানো তো দূরে থাকুক। ১০ জুনে সাউদাম্পটনে দক্ষিণ আফ্রিকা ও উইন্ডিজের মধ্যকার ম্যাচও ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। যদিও সে ম্যাচে খেলা মাঠে গড়িয়েছিল কিছু সময়ের জন্য। উইন্ডিজরা আগে টসে জিতে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হবার আগ পর্যন্ত প্রোটিয়ারা ব্যাট করে ৭ ওভার ৩ বল। যেখানে হাশিম আমলা ও এইডেন মার্করামের উইকেট হারিয়ে প্রোটিয়ারা করতে পারে ২৯ রান। এর আগে ১৯৭৯ সালের বিশ্বকাপে একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল কোন বল মাঠে না গড়ানোর আগেই। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপেও ১ বার ঘটেছিল এমন ঘটনা। ১৯৭৯ সালে লন্ডনের কেনিংটন ওভালে শ্রীলঙ্কা ও উইন্ডিজের মধ্যকার ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল টস ছাড়াই। সেবার বিশ্বকাপ জিতেছিল উইন্ডিজ। ২০১৫ সালে টস ছাড়াই ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ম্যাচ। ব্রিজবেনের দ্যা গ্যাবাতে বৃষ্টিতে পন্ড হয়েছিল ম্যাচটি। গেল আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। সাকুল্যে ৩ ম্যাচ পরিত্যক্ত হলো এই বিশ্বকাপে। এক বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিত্যক্ত হবার সংখ্যা এটাই সর্বোচ্চ। গতকাল ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ প- হয়ে সেটির ব্যবধান আরো বাড়লো।