বিএনপি ও জামায়াতের একক আ.লীগে একাধিক প্রার্থী : ত্রিমুখী লড়াই

191

আসন্ন জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলছে প্রচার-প্রচারণা
জাহিদ বাবু/মিঠুন মাহমুদ: আসন্ন জীবননগর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রায়পুর ইউপিতে চলছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদ সর্বপ্রথম ১৯৬৫ সালে স্থাপিত হয় তৎকালীন সময়ে কেশব চন্দ্র ঘোষ টানা দুই বছর অর্থাৎ ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর যে কোন কারন বসত আবার বৃহত্তর রায়পুর, বাঁকা ও হাসাদহ মিলে একটি ইউনিয়ন গঠিত হয়। পরবর্তীতে জনসংখ্যার দিক থেকে বেশি হওয়ায় বৃহত্তর এ ইউনিয়নটি ২০১২ সালে একটি ইউনিয়ন ভেঙ্গে তিনটি ইউনিয়ন গঠিত হয় এবং রায়পুর ইউনিয়নটি প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ২০১২ সালের শেষের দিকে ৯ হাজার ৯৩ ভোটার নিয়ে ৯টি ওর্য়াড দ্বারা গঠিত এ ইউনিয়নে সর্বপ্রথম নির্বাচন হয় এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪ হাজার ৬’শ ৭৭ এবং নারী ভোটার ৪ হাজার ৪’শ ১৬ জন। এ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থীকে হারিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তাহাজ্জত হোসেন মির্জা চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হন। এদিকে আগামী ২৯ মার্চ রায়পুর ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে মতিয়ার রহমান ও জামায়াতের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী মোটরসাইকেল প্রতিক নিয়ে একক ভাবে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করলেও এই ইউনিয়নে ক্ষমতাশীন দল আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে নির্বাচন করছেন রায়পুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান তাহাজ্জত হোসেন মির্জা ও আনারশ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন আ. রশিদ শাহ। বিরোধী দলের নেতাকর্মিদের নির্বাচন নিয়ে কোন আশঙ্কা না থাকলেও ক্ষমতাশীন দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী আ. রশিদরে সমর্থন লোকজনকে হুমকি ধামকি, ভোট কেন্দ্রে যেতে না দেওয়া, ভোট কারচুপি ও প্রাণনাশের অভিযোগ তুলেছেন আওয়ীমী লীগের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে। আর এ সমস্ত অভিযোগের কথা অস্বীকার করলেন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও বর্তমান রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান তাহাজ্জত মির্জা। তিনি বলেন আমি কাওকে হুমকি ধামকি কেন দেব আমি দীর্ঘ পাঁচ বছর চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমি যদি এলাকায় উন্নয়মূলক কাজ কর্ম করে থাকি সাধারণ মানুষ যদি আমাকে চায় তা হলে তারা আমাকে ভোট দিবে আর যদি তাদের কাছে মনে হয় আমি কোন উন্নয়মুলক কাজ করেনি তা হলে সেটিও তারা বিবেচনা করবে। নির্বাচনে পাশ ফেল হবেই। তাই বলে আমি কেন হুমকি দিব এটি যিনি অভিযোগ করেছেন সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করেছে। এদিকে স্থানীয় জনগনের মধ্যে একটি ব্যতিক্রম দেখা দিচ্ছে সকলের ধারনা যদি সুষ্ঠ ভাবে নির্বাচন হয় তা হলে ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভবনা বেশি। তবে প্রশাসনিকভাবে নির্বাচনী এলাকায় নেওয়া হচ্ছে কঠোর ব্যবস্থা কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেই প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।