প্রশাসনের নিষেধ উপেক্ষা করে অফিস কার্যক্রম স্বাভাবিক

79

দর্শনায় বেসরকারি সংস্থা ‘আশা’ অফিসের ম্যানেজার করোনায় আক্রান্ত
দর্শনা অফিস:
দর্শনায় বেসরকারি সংস্থা আশার ২ নম্বর ইউনিট অফিসের ম্যানেজার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও থানার পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে ২ নম্বর ইউনিট অফিসের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে অফিসের কার্যক্রম চালু থাকার সত্যতাও মিলেছে।
জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌর এলাকার রামনগর ঘুঘুডাঙ্গায় এনজিও সংস্থা আশার দুটি ইউনিট অফিস রয়েছে। এর মধ্যে ২ নম্বর ইউনিট অফিসের ম্যানেজার করোনা উপসর্গে অসুস্থ হলে গত শনিবার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেয়। ওই দিনই রাতে তাঁর নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ আসে। শনিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও দর্শনা থানার পুলিশ সরেজমিনে গিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টেনে থাকার নির্দেশ দেন ও অফিসের কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য বলেন। এরই মধ্যে আক্রান্ত ব্যক্তি ঝিনাইদহ তাঁর বাড়িতে চলে গেলেও অফিসের কার্যক্রম চলতে থাকে। পরে অফিসের কয়েকজন কর্মচারীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে অফিস কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকায় এলাকাবাসী বিভিন্ন মহলে অভিযোগও করে। পরে সরোজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং উক্ত অফিসের কর্মচারীদের অফিস কার্যক্রম বন্ধ রাখাসহ কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেহেতু অফিসের আরও কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেহেতু নমুনা পরীক্ষা না আসা পর্যন্ত বাড়ির মালিককেও বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগের যদি সত্যতা মেলে, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের (টিএসও) ডা. আবু হেনা শেখ জামাল শুভ বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তিকে তাঁর নিজ বাড়ি ঝিনাইদহে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে। আর অফিসের কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাঁদের নমুনা পরীক্ষা না আসা পর্যন্ত অফিসের কার্যক্রম বন্ধ রাখা ও অফিসের কর্মচারীদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণ হলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।