প্রথম দিনে এক স্বর্ণ, দুই রৌপ্যের সঙ্গে ১৩ ব্রোঞ্জ

27

খেলাধুলা ডেস্ক
কাঠমান্ডুতে পদকের লড়াইয়ের প্রথম দিনটা খুব একটা খারাপ কাটেনি বাংলাদেশের। প্রথম দিনেই স্বর্ণের দেখা মিলেছে। তায়কোয়ান্দোর ২৯ কেজি বা তার অধিক ওজন শ্রেণিতে স্বর্ণ জিতেছেন দিপু চাকমা। কারাতে থেকে দুটি রৌপ্য পদক এসেছে। পুরুষ একক কুমিতে অনূর্ধ্ব-৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে রৌপ্য জেতেন মোস্তফা কামাল। একই ইভেন্টে মেয়েদের বিভাগে অনূর্ধ্ব-৪৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে রৌপ্য জেতেন মাউনজেরা বর্ণা। এছাড়া তায়কোয়ান্দোতে ছয়টি ও কারাতে থেকে সাতটি ব্রোঞ্জ জেতে বাংলাদেশ। কারাতে ট্রেনিং সেন্টারে হোমায়রা আক্তার অন্তরার হাত ধরেই প্রথম পদকের দেখা পায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত কাতায় ব্রোঞ্জ পদক জেতেন বাংলাদেশের অন্তরা। এই বিভাগে স্বর্ণ জিতেছে পাকিস্তান, রৌপ্য জিতেছে নেপাল। পাঁচ প্রতিযোগীর মধ্যে তৃতীয় হয়ে ব্রোঞ্জ জেতেন অন্তরা। মেয়েদের পর ছেলেদের ব্যক্তিগত কাতা ইভেন্টে মো. হাসান খান বাংলাদেশের দ্বিতীয় পদক অর্জন করেন। প্রতিযোগিতায় নামার আগে বাংলাদেশ অনুশীলন করেছে পুরনো ম্যাটে। কিন্তু খেলা হয়েছে নতুন ম্যাটে। সে কারণে নেকোওয়াশি মুভে গিয়ে পা স্লিপ করে অন্তরার। তাতে সে স্বর্ণ ও রৌপ্য জয়ের প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যায়। পয়েন্ট বেশি থাকায় অটোমেটিক ব্রোঞ্জ জিতে যান অন্তরা। একই ঘটনা ঘটেছে হাসানের ক্ষেত্রেও। পদক জয়ের পর অন্তরা বলেন, ‘প্রত্যাশা ছিল সোনা জয়ের। সেভাবে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু ওই একটা মুভে দুর্ভাগ্যজনকভাবে পা স্লিপ করে। তাতে ছিটকে যাই। তবে বাংলাদেশকে প্রথম পদক এনে দিতে পেরে ভালো লাগছে।’ বাংলাদেশের আর দশটা মেয়ের মতো ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে কারাতে শেখেন অন্তরা।