প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেরা দল ও খেলোয়াড় বাছাই করা হবে

17

চুয়াডাঙ্গায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায় ডিসি নজরুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট দেশের তরুণদের মধ্যে ক্রীড়ার মানসিকতা সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে। এই টুর্নামেন্ট আমাদের জাতীয় চেতনার অংশ-বিশেষ। বিগত বছরের তুলনায় এবারের আয়োজন একটু ব্যতিক্রম। কারণ, এবার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শুধু সেরা দল নয়, সেরা খেলোয়াড়ও বাছাই করা হচ্ছে। তাই এটিকে নান্দনিক ও সর্বোচ্চ সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে হবে।’
গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা অনুর্ধ-১৭)-এর জেলা পর্যায়ের আয়োজন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জেলা পর্যায়ের সব খেলা সম্পন্ন করতে হবে। খেলাগুলো যেন মানসম্পন্ন হয় এবং পক্ষপাতিত্বমূলক না হয়, সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে। বাংলাদেশের সব জেলাতেই এই খেলা হচ্ছে, তাই চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও যেন এই খেলাগুলো সর্বসাধারণের সর্বোচ্চ উপস্থিত হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।’
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার্স) আবুল বাশার, জেলা শিক্ষা অফিসার নিখিল রঞ্জন চক্রবর্তী, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি সেলিনা খাতুন, জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সানোয়ার হোসেন লাড্ডু, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার মাহমুদুল হক লিটন, ফুটবলার মাসুদ হোসেন জোয়ার্দ্দার, জেলা তথ্য অফিসার আমিনুল ইসলাম, জেলা স্কাউটস’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান প্রমুখ।
এসময় লটারির মাধ্যমে চার উপজেলা ও সদরের পাঁচটি দলের (বালক-বালিকা) খেলার সূচি নির্ধারণ করা হয়। আগামী ১৭ থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুয়াডাঙ্গার পুরাতন জেলা স্টেডিয়াম মাঠে খেলাগুলো সম্পন্ন হবে। তবে অতিথি নির্বাচন ও মাঠ প্রস্তুতের কাজ শেষে দু-একদিন পর খেলার সময়সূচি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।