পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই, গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা

76

চুয়াডাঙ্গায় আকস্মিক পেঁয়াজের বাজার মনিটরিংকালে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় আকস্মিক পেঁয়াজের বাজার মনিটরিং করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। হঠাৎ পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার খবর ছড়ালে গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে বড় বাজারের নিচের বাজার (কাঁচা বাজার) মনিটরিং করেন।
বাজার মনিটরিংকালে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘বাজার দেখে আমি যতটুকু বুঝেছি, বাজারে বর্তমানে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই। পাইকারি বিক্রেতারা কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা লাভে বিক্রি করছেন। খুচরা বাজারেও খুব বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে না। তবে শিগগিরই পেঁয়াজের মূল্য আরও কমে যাবে। কেউ যদি পেঁয়াজ নেই, এমন গুজব ছড়ায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃত্রিম সংকট তৈরির পরিকল্পনা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর জরিমানা করলে বেশি পরিমাণে জরিমানা করা হবে, আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করা হবে। কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। যাতে পরে কেউ এ ধরনের কাজ করতে সাহস না পায়।’ জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার আরও বলেন, বাংলাদেশেই পেঁয়াজের সংকট নেই। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় সেটি নিশ্চিত করেছেন। তাই সাধারণ ক্রেতারা বুঝে-শুনে দেখে বাজার করবেন। দাম বেশি নিলে প্রশাসনকে জানাবেন। প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। হঠাৎ করে দাম অনেক বেড়ে যাবে, তা হতেই পারে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়াহ্ ইয়া খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আমজাদ হোসেন, ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ, জেলা মার্কেটিং অফিসার শহিদুল ইসলাম, সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) শামিম প্রমুখ।
এদিকে, বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারি প্রতি কেজি ৬০ ও বাংলাদেশি পেঁয়াজ পাইকারি প্রতি কেজি ৭২ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। খুচরা বাজারে প্রকারভেদে যা ৮০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। পাইকারি এবং খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে পেঁয়াজের মজুদও লক্ষ্য করা গেছে।