পুলিশের সাথে অসদাচরণ : ক্ষমা চেয়ে পার

253

ঐতিহ্যবাহী মুন্সিগঞ্জ পশুহাট ও আলমডাঙ্গা পৌর পশু হাটে পক্ষে-বিপক্ষে নানা অভিযোগ
পুলিশের সাথে অসদাচরণ : ক্ষমা চেয়ে পার
আলমডাঙ্গা থানার ওসি আকরাম হোসেনের উপস্থিতিতে পরিস্থিত শান্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র না থাকায় জটিলতা ইজার জটিলতায় পশুহাট পন্ড করে দিলো পুলিশ!
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মেহেরপুরসহ দেশের ঐতিহ্যবাহী আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জ পশুহাটে আগত ব্যাপারীরাসহ গরু-ছাগলবহনকারী ভটভটি আলমসাধু জোরপূর্বক হাটে ঢোকানোর অভিযোগে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি। আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাট কর্তৃপক্ষের লোকজন ও মুন্সিগঞ্জ পশুহাটের কর্তৃপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে লাঠিসোটা নিয়ে গরু-ছাগল হাটে ঢোকানো নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া এঘটনায় মুন্সিগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশের সাথে হাট মালিক কর্তৃপক্ষের লোকজন অসদাচরণ করেছে বলে জানা যায়। অবশ্য পরে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আকরাম হোসেনের উপস্তিতিতে মুন্সিগঞ্জ পশুহাটের ইজারাদার আলমডাঙ্গা যুবলীগ নেতা স্বপন ও মোমিনপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার, জেলা পরিষদের সাধারণ সদস্য খলিল এবং স্থানীয় বেশ কয়েকজন নিজেদের লোকজনের অশালীন আচরণের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন বলেও পুলিশ জানিয়েছে। জানা যায়, গতকাল দুপুর ১২টার দিকে মুন্সিগঞ্জ পশুহাটে ব্যাপারীরাসহ গরু-ছাগলবহনকারী ভটভটি আলমসাধু জোরপূর্বক নিজেদের হাটে নেয়ার অভিযোগ তুললে মুন্সিগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশের একটি দল দ্রুত মুন্সিগঞ্জ পশুহাটে পৌছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু একপক্ষের লোকজন এসময় পুলিশের সাথে অসদাচরণ করে। এঘটনার সংবাদ পেয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকরাম হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌছান। ওসি বিশৃঙ্খলাসৃষ্টিকারিদের ওপর লাঠিচার্জের নির্দেশ দিলে দ্রুত পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। এসময় পুলিশের পক্ষ থেকে হাটে আসা সকল বিশৃঙ্খলাকারিদের চলে যেতে বলা হয়। এবিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম হোসেন জানান, মুন্সিগঞ্জ পশুহাট মালিক পক্ষের লোকজন জোরপূর্বক গরু-ছাগল তাদের হাটে ঢোকাচ্ছেন বলে অন্যপক্ষের লোকজন অভিযোগ করলে মুন্সিগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশের একটি দল সেখানে পৌছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে, এসময় হাট মালিকের লোকজনেরা পুলিশের সাথে অশালীন আচরণ করলে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে যেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি। তিনি আরোও বলেন, হাট মালিক স্বপন, ফারুক চেয়ারম্যান ও খলিলসহ বেশ কয়েকজন পুলিশের কাছে তাদের লোকজনের অসদাচরণের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।