নিখোঁজের পাঁচ দিন পর কলেজছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

29

ঝিনাইদহ অফিস:
নিখোঁজের পাঁচ দিনের মাথায় ঝিনাইদহের শৈলকুপায় কলেজছাত্র সুজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে হাজামপাড়া গ্রামের ধানখেতের বোরিংয়ের ভেতরে মাটি খুড়ে সেখান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, উপজেলার আউশিয়া গ্রামের সুজন (২০) নামের এক কলেজছাত্র চার দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। পাঁচ দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার রাতে সুজনের অর্ধগলিত মরদেহ হাজামপাড়া ধানখেতের বোরিংয়ের মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁকে কুপিয়ে হত্যা শেষে মরদেহটি মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী আউশিয়া গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, পাওনা টাকা আনতে গিয়ে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি বলে শৈলকুপা থানায় একটি জিডি করেছিল তাঁর পরিবার। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাকিব ও নাজমুল নামে দুজনকে আটক করেছে। সাবিক আটকের পর থেকে তাঁর পরিবারের লোকজন বাড়িঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে গেছে। নিখোঁজ সুজনের চাচা রফিকুল ইসলাম রবি জানান, গত রোববার (২০ সেপ্টম্বর) বিকেলে সুজন সার আনতে আউশিয়া বাজারে যান। বাজারের একটি চায়ের দোকানে চা খাওয়ার সময় পাওনা ৮ শ টাকা নেওয়ার জন্য জনৈক রাকিব মোবাইল করে। রাকিব সে সময় সুজনকে রাকিবের ছোট ভাই সাকিবের মোটরসাইকেলে চলে আসার জন্য জানালে চায়ের দোকান থেকে সুজন সাকিবের মোটরসাইকেলে চলে যায়। বাজারের অনেকেই ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন। সেই থেকে চার দিন ধরে সুজন নিখোঁজ ছিলেন। তবে কী কারণে তাঁকে হত্যা করে গুম করা হয়েছিল, তা এখনো স্পষ্টভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ। এদিকে, সুজন নিখোঁজের ঘটনায় সাকিবকে আটক করা হলে তাঁর ভাই রাকিব এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা গা-ঢাঁকা দিয়েছে।