নদী দখলকারীরা ছাড় পাবে না -ডিসি গোপাল চন্দ্র দাস

195

দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে অবৈধ কোমড়-বাঁধ অপসারণ অভিযান শুরু
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দামুড়হুদায় মাথাভাঙ্গা নদী থেকে অবৈধ কোমড়-বাঁধ অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে বিষ্ণুপুর সড়কের ব্রিজের অদূরে ভাইমারা খালের মুখ থেকে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস।
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ। এ দেশে অসংখ্য নদী রয়েছে। কিছু অসাধু মৎস্যশিকারী নদীতে অবৈধভাবে কোমড়-বাঁধ দিয়ে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি করছেন। ফলে অযাচিত পলি পড়ে ক্রমান্বয়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে নদীগুলো। তাই নদী দখলকারীরা কোন ছাড় পাবেন না। পরবর্তীতে আবারও কেউ যদি নদীতে অবৈধ কোমড়-বাঁধ দেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবু ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপ্তিময়ী জামান অভিন্ন ভাষায় বলেছেন, নদী দখলকারীদের আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি যেই হন, তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াশীমুল বারী, দামুড়হুদা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাহিদা খাতুন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম রেজা, জেলা পরিষদের সদস্য শফিউল কবির ইউসুফ, জেলা প্রশাসকের সহকারী নাজির হামিদুল ইসলাম, দামুড়হুদা সদর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক শরিফুল আলম মিল্টন, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আইয়ুব আলী, ক্ষেত্রসহকারী আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম উদ্দীন বগা, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী, নাজির ওমর ফারুক, সার্ভেয়ার গোলাম মোস্তফা, আইসিটি টেকনিশিয়ান খাইরুল কবির দিনার, ইউপি সদস্য আবু সাইদ, মুনছুর আলী, মোয়াজ্জেম হোসেন, যুবলীগ নেতা শামসুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, আজ শনিবার সকালে দামুড়হুদার হাউলী ইউনিয়নে একইভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে মাথাভাঙ্গা নদী থেকে সব অবৈধ কোমড়-বাঁধ অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপ্তিময়ী জামান।