দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় খালেদা জিয়ার মুক্তির বিকল্প নেই -বিএনপি নেতা শরীফ

21

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহসহ সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন
সমীকরণ প্রতিবেদন:
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার পৃথক আয়োজনে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহসহ সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং আলোচনা সভা।
চুয়াডাঙ্গা:
নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে জেলা বিএনপি। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর থেকে দিবসটি উপলক্ষে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা চুয়াডাঙ্গা শহরের পান্না (রুপছায়া) সিনেমা হল সড়কে অবস্থিত পুরাতন সাহিত্য চত্বরে এসে উপস্থিত হন। পরে সেখানে অ্যাসেসিয়েশন হলে দুপুর ১২টায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন বিএনপির নেতা মহাসিন আলী। আলোচনা সভায় চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পৌর কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ধানের শীষের দলীয় প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য শরীফুজ্জামান শরীফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। শহীদ জিয়ার কল্যাণেই আজ আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে ক্ষমতা ভোগ করছে। অথচ জিয়ার অবদান অস্বীকার করে আজ ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের অবদানকে মুছে ফেলতে চাইছে। যা সফল হবে না। এই অবৈধ সরকার বিদায় করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। তাই দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আমরা মাঠে নেমেছি। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলনে মাঠে আছি এবং থাকব, ইনশ্া আল্লাহ। কারণ দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় খালেদা জিয়ার মুক্তির বিকল্প নেই।’
জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহানারা পারভীন ও আবু বকর সিদ্দীক আবু, মিলিমা ইসলাম মিলি। এ ছাড়াও বক্তব্য দেন সদর থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম পিটু, জেলা মৎসজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাবলু, বাড়াদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন, সদর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল হক মাসুম, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মহিলাদল নেত্রী ও পৌর কাউন্সিলর শেফালী খাতুন, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক খালিদ মাসুদ মিল্টন, মনিরুজ্জামান লিপটন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি হাফিজুর রহমান মুক্তা, জেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব মওলানা আনোয়ার হোসেন, জেলা যুবদলের নেতা খাইরুল ইসলাম ও খাদিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেরেগুল ইসলাম বিশ্বাস।
এ ছাড়া আরও বক্তব্য দেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, শিপ্লব আহমেদ, জেলা ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান সোহাগ, সদর উপজেলা ছাত্রদল নেতা ইকবাল আহমেদ, সাহেদ সিদ্দিকী সোহেল ও মাহাবুব।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর থানা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক মুন্সি আলাউদ্দীন, পৌর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি খায়রুল ইসলাম, পদ্মবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার হিমু, আলুকদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, আব্দুর রাজ্জাক সন্টু, সেলিম রেজা, জেলা ওলামা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা মাহাবুল হক, যুবদলের নেতা শাহাবুদ্দিন, মানিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক আকতার হোসেন, প্রচার সম্পাদক মাবুদ সরকার, শাহা জামাল, ইসাহাক আলী, এম এম হাসান, মহাসিন আলী, রুবেল হাসান, রাজিব হোসেন, তুহিন ইসলাম, বাবুল শাহ, সানোয়ার মেম্বার, সাইফুল মেম্বার, আবু সালেহ, মীর মাহবুব রনি, আব্দুল লতিফ ফতো, সাইফুদ্দীন আহমেদ কনক, আব্দুল রহিম, সিরাজুল ইসলাম, মনসুর আলী, মশিউর রহমান, হাবিবুর, আরিফ, সুইট, রোকনুজ্জামান, সানোয়ার হোসেন, আলো, শাহা আলম, সিরাজুল ইসলাম ঝণ্টু, সানোয়ার হোসেন, সাইফুল, মনির হোসেন, জেলা ছাত্রদলের নেতা রিণ্টু মহলদার, কলেজ ছাত্রদলের নেতা সাইমুজ্জামান মিশা, আব্দুল হাদিদ জিতু, পিয়াস, মো. রাজা, ইরান, ছোটন, মোস্তাফিজুর রহমান কনক, সাইমুম আরাফাত, মাহাবুব, রমজান, সোহাগ, বকুল, রাব্বি, আরমান, লিমন, মাহবুব, তিতাস, মফিজুল, চঞ্চল, শাহীন, খন্দকার রিজন আহমেদ, আরাফাত, আকুল, বাবু প্রমুখ। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এ অনুষ্ঠানে চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গাসহ আশপাশের উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
অপর দিকে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে অ্যাড. ওয়াহেদুজ্জামান বুলার বাড়িতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। খন্দকার আব্দুর জব্বার সোনার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাড. ওয়াহেদুজ্জামান বুলা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুল হক মালিক মজু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অ্যাড. শামীম রেজা ডালিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ তালহা, সিনিয়ন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল জাহিদ, জেলা বিএনপির সদস্য শহিদুল ইসলাম, মিলিমা ইসলাম মিলি, আশরাফ বিশ্বাস মিল্টু ও জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজিদ হাসান মালিক প্রমুখ।
দামুড়হুদা:
দামুড়হুদায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে বিএনপির দামুড়হুদা বাজারস্থ কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা উত্তোলন শেষে দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনিরের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল হাসান তনু। প্রধান বক্তা ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোর্কারম হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন, জুড়ানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী, দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুর রহমান মালিথা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছালমা জাহান পারুল, হাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর ওয়াহেদ, জুড়ানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান লিপু, নাটুদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুল হক, সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি, নতিপোতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রহিদুল ইসলাম, বিএনপির নেতা আমির হোসেন মাস্টার, ওহিদুজ্জামান, নাফিজ আকতার, আজাদ আলী, জুলফিক্কার আলী ভুট্টু, আশরাফুল, জামান মোল্লা, কবির, মতিন, মামুন, জাহাঙ্গীর, জেলা যুবদলের সহসভাপতি আনসিুজ্জামান আনিস, দামুড়হুদা উপজেলা যুবদলের নেতা মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, মাহফুজুর রহমান মিল্টন, টিটন, কামরুজ্জামান, সোহেল রানা, একরামুল মেম্বার, সেলিম, মতিন, রশিদ, সাইদুর, রফিক, ইজাজুল হক, মালেক, রানা, কলম, আনছার, হাসান, দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রদলের নেতা আরিফুল ইসলাম, সবুজ, জনি, কাদের, কবির, সাগর, ইমরান, ইব্রাহিম, সজিব, শাহিন, সোহাগ, আরশীসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
সভায় বক্তারা দেশনেত্রী তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান। আলোচনা শেষে সদ্যপ্রয়াত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অবিভক্ত ঢাকার সফল মেয়র মরহুম সাদেক হোসেন খোকার রুহের মাগফিরাত ও বিদেী আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মেহেরপুর:


জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মেহেরপুর জেলা বিএনপির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে মেহেরপুর পৌর কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি মাসুদ অরুনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুর রহমান, ইলিয়াছ হোসেন, হাফিজুর রহমান হাফি, এম এ কে খায়রুল বাশার, শেখ সাঈদ আহমেদ প্রমুখ। সভায় গাংনী উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল হক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. মারুফ আহমেদ বিজন, মুজিবনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবু সুফিয়ান হাবু, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ভুট্টো, আব্দুর রশিদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহিম, আব্দুল আওয়াল, আরজুল্লাহ মাস্টার বাবলু, আহসান হাবিব সোনা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওবাইদুল্লাহ সেণ্টু, মুজিবনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুদ্দিন বিশ্বাস, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক সামসুল আলম, জুলফিকার আলী ভুট্টো, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাবদ্দীন মোল্লা, গাংনী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আখেরুজ্জামান, জেলা যুবদলের সভাপতি জাহিদুল হক জাহিদ, সাধারণ সম্পাদক কাওছার আলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন মিণ্টুসহ জেলা ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা পরিচালনা করেন পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস।
ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহে বিএনপির উদ্যোগে ৭ নভেম্বরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে এইচ এস এস সড়কস্থ জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এস এম মশিয়ুর রহমান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাড. এম এ মজিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান, জাহিদুজ্জামান মনা, অ্যাড. কামাল আজাদ পান্নু, আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, বিএনপির নেতা আশরাফুল ইসলাম পিণ্টু, আবুবক্কর বিশ্বাস, আসিফ ইকবাল মাখন, আলমগীর হোসেন, রফিকুল ইসলাম মণ্টু, জাহিদ জোয়ারদার, জিয়াউল ইসলাম ফিরোজ, জাহাঙ্গীর হোসেন, আলাউদ্দীন হোসেন, আব্দুর রশিদ মোহন, যুবনেতা আবুল বাশার বাশি, মোস্তাক আহমেদ, ছাত্রনেতা মুশফিকুর রহমান মানিক, শাফিউল আলম শফি প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, দেশে আজ গণতন্ত্র নেই। সরকারি দলের সহযোগী সংগঠন রাস্তা দখল করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সমাবেশ করে। আর বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করতে দেওয়া হয় না। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এস এম মশিয়ুর রহমান অভিযোগ করেন, ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমাদের শান্তিপূর্ণ র‌্যালি ও আলোচনা সভা করতে দেয়নি পুলিশ।’ তিনি অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
দত্তনগর:
ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির আয়োজনে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মহেশপুর প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ভবনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বরূপপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান রনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির নেতা মাহাফুজুল হক খাঁন বাবু, বিএনপির নেতা ওলিয়ার রহমান মাস্টার, এসবিকে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহিম সর্দার, মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জগলুল পাশা ও শ্যামকুড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল এমরান টাইগার। এ ছাড়াও উপস্থিত শ্যামকুড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজনুর রহমান মাস্টার, মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া, সদস্যসচিব মেহেদী মাসুদ, যুবদলের নেতা শাহাজান আলী, ফারুক হোসেন মাস্টার, কামরুজ্জামান বাবু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শামীম খান, সদস্যসচিব হাবিবুর রহমান বুল্লা, মৎস্য দলের সভাপতি আবুল বাশার, সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রনেতা আব্দুল মালেক প্রমুখ। এ সময় উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপির শত শত নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আব্বাস উদ্দীন।