দেশে হঠাৎ বেড়েছে ধর্ষণ-নির্যাতন

105

সমীকরণ প্রতিবেদন:
সারা দেশেই হঠাৎ বেড়েছে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো সামাজিক অপরাধ। আর এর জন্য অপরাধীদের রাজনৈতিকভাবে মদদ দেয়া ও মহামারির মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপরাধ দমনে শিথিলতাকেই দায়ী করছেন বিশিষ্টজনেরা। তাদের মতে, অপরাধ করে পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতিই অপরাধীকে বেপরোয়া করে তুলছে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি ধর্ষণের মতো অপরাধের ভয়াবহতা নিয়ে পাঠ্যক্রম মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় টিলায় ঘেরা এমসি কলেজ ক্যাম্পাস এলাকায় ঘুরতে গেলে পাঁচ-ছয়জন যুবক ওই তরুণীকে ঘিরে ধরে। ওই তরুণ-তরুণী স্বামী-স্ত্রী কি না এমন প্রশ্ন তুলে ওই যুবকরা প্রথমে তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে। তারপর বলপ্রয়োগ করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসের একটি কক্ষের সামনে ওই তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয়। কলেজের অধ্যক্ষসহ সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, এমসি কলেজের ঘটনার দুইদিন আগে গেলো বুধবার খাগড়াছড়িতে এক বাড়িতে ঢুকে প্রতিবন্ধী পাহাড়ি তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোও ওই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছে। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্ষণ বা যৌননিপীড়নের ঘটনায় প্রায়শই কেবল প্রতিষ্ঠান বা ছাত্র সংগঠন থেকে বহিষ্কারের কথা শোনা যায়। কিন্তু এসব সহিংসতা ফৌজদারি অপরাধ হওয়ায় প্রশাসনিক ব্যবস্থাগ্রহণের পাশাপাশি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরই বাদী হয়ে মামলা করা উচিত। একইসঙ্গে সমতলে কি পাহাড়ে সব ধর্ষণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।