দেলোয়ার আটক, মাদক ব্যবসায়ীর ভোঁ-দৌড়!

72

ইউএনও ওয়াশীমুল বারীর হাতে মাদকসেবী পুলিশ কনস্টেবল
দর্শনা অফিস:
চুয়াডাঙ্গা সদরের বেগমপুরে মাদক সেবন করতে এলে দেলোয়ার নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করেছেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়। গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে বেগমপুরের আকন্দবাড়িয়া আবাসনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের আকন্দবাড়িয়া আবাসনের আলী আহম্মদের ছেলে আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী রতনের বাড়িতে এক ব্যক্তি প্রবেশ করেন। এ সময় আবাসনের গুচ্ছগ্রাম ২ (সিভিআরপি) প্রকল্পকাজের পরিদর্শনে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াশীমুল বারী। এতে ইউএনওর সন্দেহ হলে তিনি ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওই ব্যক্তি তাঁর নাম দেলোয়ার ও তিনি একজন পুলিশের সদস্য বলে পরিচয় দেন এবং অসঙ্গতিপূর্ণ কথা বলেন। এ সময় দেলোয়ার নিজেকে চুয়াডাঙ্গা কোর্ট পুলিশের পরিচয় দিয়ে আসামিকে মামলার সমন দিতে এসেছেন বলে জানান ইউএনওকে। এরপর সমনের কপি দেখাতে ব্যর্থ হয়ে দেলোয়ার দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাঁকে পাকড়াও করেন। পরে অসঙ্গতিপূর্ণ আচরণের জন্য তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়। সেখান থেকে দেলোয়ারকে নেওয়া হয় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁকে ঝিনাইদাহ পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। এদিকে, ঘটনাস্থলে থাকা আকন্দবাড়িয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী রতন ভোঁ-দৌড় দিয়ে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াশীমুল বারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার সেকেন্ড অফিসার ইকরাম হোসেন বলেন, ‘ইউএনও স্যার ধরছিল। থানায় খবর দিলে আমি সেখান থেকে তাকে নিয়ে আসি। তবে কী বিষয়ে তাকে ধরছিল, আমি বলতে পারব না। পরে ঝিনাইদহ থেকে ডিবি এসে তাকে নিয়ে গেছে।’