দামুড়হুদা জয়রামপুরের সুখি খাতুন হত্যার চেষ্টা মামলা পুলিশি অভিযানে মুকুল ও আশকার গ্রেফতার

228

fagraGRGFBZDFGDFG

দর্শনা অফিস: জয়রামপুর গ্রামের সুখি খাতুনকে হত্যার চেষ্টা করা আসামী তার স্বামী লোকনাথপুর গ্রামের মুকুল হোসেন ও আশকার আলীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গত রবিবার দিনগত রাত ১২টার দিকে ঐ দুইজন আসামী তাদের নিজ বাড়ি থেকে আটক করে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য গত ৩বছর আগে লোকনাথপুর নশকর আলীর ছেলে মুকুল হোসেনের সাথে জয়রামপুর মালিথার শামছদ্দিনের মেয়ে সুখি খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের ৩বছর পর তাকে নগদ ৮০হাজার টাকা দিয়ে মুকুল হোসেন সুখী খাতুনকে তালাক দেয়। তালাক দেওয়ার ১মাস ১০দিন পর আবার বিয়ে করে নানা রকম প্রলোভন ঐ ৮০হাজার টাকা নিয়ে মুকুল নিয়ে নেয়। এরপর শুরু হয় সুখি খাতুনের উপর বিভিন্ন ধরণের নির্যাতন। আর এ নির্যাতন সইতে না পেরে সে আনছার বাড়িয়া মামার বাড়ি চলে যায়। এরপর সুখি খাতুনের স্বামী ও চাচা শশুর দানু সরদারের ছেলে আশকার আলী ফোন দিয়ে বলে সুখি তুমি কোথায় আছো ? তখন সুখি খাতুন বলে চাচা আমি আনছার বাড়িয়া মামার বাড়ি থেকে ফিরছি। তখন বলে তুমি বাড়ি যাওয়ার পথে আমার সাথে দেখা করে যেও। আনছার বাড়িয়া থেকে ট্রেন আসতে রাত ৯টা বেজে যায়। তখন সুখি খাতুন দর্শনা থেকে সিএজি করে জয়রামপুর বাড়ি ফিরছিল। এর মধ্যে বারবার ফোন দিয়ে লোকনাথপুর ফুটবল খেলার মাঠের কাছে তাকে সিএজি থেকে তাকে নামিয়ে নিয়ে ইটভাটার দিকে টেনে হেঁছড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং বেদম মারপিট করতে থাকে সিএজি চালক তাকে রক্ষা করতে তাকেও মারপিট করতে যায়। এসময় সে হাত কেড়ে নিয়ে নিয়ে নিজের জীবন বাঁচার জন্য চিৎকার করতে করতে মাদ্রাস পাড়ায় বিভিন্ন বাড়িতে লুকাতে চেষ্টা করে। এসময় তার গায়ের পোষাক ছেড়া দেখে কেউ জায়গা দিতে চাই না। এসময় সে সবার অজান্তে লিটনের বাড়ির চৌকির তলায় গিয়ে লুকিয়ে পড়ে চেয়ারম্যানের নিকট মোবাইল ফোন করে। চেয়ারম্যান পুলিশ কাছে ফোন করলে টহল পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর গত ২৭নভেম্বর চুয়াডাঙ্গা কোটে মুকুল ও আশকার আলীর নামে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে।