দামুড়হুদা উপজেলা সংগ্রহ ও মনিটারিং কমিটির কাছে লোকমোর্চার স্মারকলিপি পেশ

16

প্রতিবেদক, দামুড়হুদা:
অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ-২০২০ দামুড়হুদা উপজেলা সংগ্রহ ও মনিটারিং কমিটির সভাপতি ও দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুনিম লিংকনের কাছে স্মারকলিপি পেশ করলেন লোকমোর্চা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। গতকাল মঙ্গরবার সকাল ১০টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যলয়ে এ স্মারকলিপি পেশ করেন তাঁরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লোকমোর্চার ভারপ্রাপ্ত সহসভাপতি সেলিনা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সমন্বয়কারী আনিছুর রহমান, উপসমন্বয়কারী যুদ্ধ, সদস্য এস এম জাহিদুল ইসলাম জনি, সাংবাদিক বখতিয়ার হোসেন বকুল, মোমিন মাস্টার প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিসমূহ হলো- ১ . অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা ২০১৭ এর ৯ (ক) উপ অনুচ্ছেদের সংশোধনীসহ ১০০ ভাগ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। ২. প্রান্তিক ও মহিলা কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা ও তাদের আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য। কিন্তু কৃষক প্রতি ১ মেট্রিকটন বা ২৫ মণ সিলিং নিধারণ করে দিলে এমনিতেই প্রান্তিক কৃষক বাদ পড়ে যাবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। অন্য দিকে ব্লকওয়ারী সকল কৃষককে তালিকাভুক্ত যতই লটারি করি না কেন, তাতে বড় ও মাঝারি কৃষরায় সুবিধা পাবে। যা সরকারি নীতিমালা সাপেক্ষ হবে না। সুতরাং প্রান্তিক কৃষকদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ৩. উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তথা কৃষি বিভাগ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বায়োডাটা হতে প্রান্তিক কৃষকদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। এই তালিকা থেকে প্রাথমিকভাবে প্রান্তিক ও মহিলা কৃষক নির্বাচন করতে হবে। ৪. কৃষি বিভাগ কর্তৃক প্রাথমিকভাবে প্রস্তুতকৃত তালিকাভুক্ত সকল কৃষককের নাম লটারি বক্সে প্রকাশ্যে ফেলতে হবে। ব্লকওয়ারি লটারি নিশ্চিত করতে হবে। লটারির সময় তালিকাভুক্ত কৃষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। ৫. লটারিতে বিজয়ী কৃষককের নামের তালিকা ইউনিয়ন পরিষদের বোর্ডে প্রকাশ্যে টাঙিয়ে দিতে হবে। এই তালিকাভুক্ত কৃষকগণ যাতে সরাসরি ক্রয়কেন্দ্রে ধান বেচতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবে কৃষকের নাম পরিবর্তন করতে না পারে, সে দিকে নজরদারি করতে হবে। ৬. নাগরিক সমাজ গণমাধ্যমবঞ্চিত কৃষক কোনো অনিয়ম অব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগ উপস্থাপন করলে, তা গুরত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। হটলাইন চালু করতে হবে।