দর্শনায় সাবেক পৌর কাউন্সিলর যুবলীগনেতা নফরকে আটক গুঞ্জনের অবসান : আটক নয় বাড়ি ফিরেছে নফর

262

noforদর্শনা অফিস: দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার সাবেক কমিশনার যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদিন নফরকে আটকের গুঞ্জনের অবসান ঘটেছে। ভুল তথ্যে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি টিম তাকে নিজবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে কোন ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নিজ বাড়িতে কাউন্সিলর নফর ফিরেছেন বলে জানা গেছে।
নফরের পরিবারের সদস্যরা জানায়, গত বুধবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে সাদা পোশাকে ৬/৭ জন লোক জয়নাল আবেদিন নফরকে তার নিজ বাড়ি থেকে সাদা মাইক্রোবাসযোগে তুলে নিয়ে যায়। এরপর নফরের পরিবারের লোকজন পুলিশসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে খোঁজ নিয়ে তার কোন হদিস না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ে। পরে ওইদিনই একটি মোবাইল ফোন থেকে নফর তার পরিবারের লোকজনকে জানায়, সাদা পোশাকধারীরা আমাকে ভুল ইনফরমেশনে তুলে নিয়ে আমার নাম ঠিকানা ও পেশা জিজ্ঞাসা করে চুয়াডাঙ্গায় ছেড়ে দেয়। আমার এক বন্ধুর শ্বশুর অসুস্থ। তার সাথে আমি ঈশ্বরদীর রূপপুর গ্রামে যাচ্ছি আগামীকাল ফিরবো। এ খবরে তার পরিবারের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এলেও অজানা আতঙ্কে ছিল দর্শনাবাসী। এদিকে গতকাল রাতে সাবেক পৌর কাউন্সিলর যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদিন নফরের বাড়ি ফেরার খবর পেয়ে তার সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বুধবার সকালে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায় পরিচয়ে একদল সাদা পোশাকধারীরা আমাকে বাড়ির বাইরে ডেকে তাদের মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। মাইক্রোবাসের মধ্যে তারা আমার নাম ঠিকানা ও পেশা ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করে। আমার নাম পরিচয় জানিয়ে দর্শনা কেরুজ চিনিকলে চাকরি করি বলে আমি জানাই। পরে তারা সকল পরিচয় জানার পর ভুলক্রমে তুলে আনা হয়েছে বলে চুয়াডাঙ্গা শহরের মধ্যে আমাকে ছেড়ে দেয়। এসময় আমি রাস্তা দিয়ে হাটতে হাটতে আমার সহকর্মী সাগরের সাথে দেখা হলে সে বলে ভাই আমার শ্বশুর খুব অসুস্থ্য, চলেন ঈশ্বরদী যাই। তার কথা এড়াতে না পেরে আমি তার সঙ্গে ঈশ্বরদী রূপপুর গ্রামে যাই এবং আমার পরিবারের নিকট তা জানাই। কিছুক্ষণ আগে আমি বাড়ি ফিরে জানতে পারলাম আমাকে নিয়ে এত তুলকালাম কান্ড হয়েছে।