দর্শনায় ঘরের দেওয়াল গাঁথা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৭

30

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দর্শনায় ঘরের দেওয়াল গাঁথা নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষে একই পরিবারের ৭ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে দর্শনা থানার পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের মদনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় স্থানীয় ব্যক্তিরা আহতদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়। আহতরা হলেন- মদনা গ্রামের উত্তরপাড়ার মৃত নজরুল ইসলামের চার ছেলে আতিয়ার রহমান (৫০), সানোয়ার হোসেন (৪৬), আনোয়ার হোসেন (৪৩), আবদার আলী (৩৫), মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে মজিবর মজিত (৩৫) এবং মতিয়ারের দুই ছেলে সাইদুর রহমান (৩০) ও হাফিজুর রহমান (২৭)।
জানা যায়, হাফিজুরের বাড়ি নির্মাণের কাজ করছিলেন একই এলাকার হানিফের ছেলে নাজিরুল মিস্ত্রি। গত বুধবার বাড়ির একটি দেওয়াল গাঁথায় ত্রুটি দেখা দেওয়ায় হাফিজুর হেড মিস্ত্র শরিফুলের ইসলামের কাছে নাজিরুলের নামে অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় বুধবার রাতেই পাড়ার রাস্তার ওপর হাফিজুরের সঙ্গে নাজিরুলের দেখা হলে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে নাজিরুল হাফিজুরকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করেন। এদিকে, গতকাল সকালে হাফিজুরের পরিবারের সদস্যরা জাজিরুলের পিতা হানিফের কাছে মারামারির ঘটনার বিষয়ে জানাতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে নাজিরুলের পক্ষের লোকজন বাঁশ, লাঠি ও কাবারি দিয়ে হাফিজুরের পরিবারের ৭ জনকে আহত করে। এ সময় স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতদের মধ্যে সানোয়ার হোসেন ও আনোয়ার হোসেনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁদেরকে হাসপাতালের ওয়ার্ডে ভর্তি রাখেন এবং অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। একই ঘটনায় নাজিরুলের পরিবারেরও দুজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান কাজল বলেন, ‘ঘটনাটি সর্ম্পকে আমি অবগত হয়েছি এবং ঘটনাস্থলে পুলিশও পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় আমরা এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’