তিতুদহের ৫ জনই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন!

39

তিতুদহ প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনের বাড়িই তিতুদহ গ্রামে। একই গ্রামের ৫ জনের একসাথে মৃত্যু যেন কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তাই স্বজন হারানোর কষ্ট ভুলতে পারছে না গ্রামবাসী। সবাই হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। এখনও কান্না থামেনি নিহতদের পরিবারে। পুরো গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া বিরাজ করছে। গতকাল নিহতদের লাশ এলাকায় নিয়ে আসা হলে স্বজনদের আর্তনাদে ভারি হয়ে উঠে এলাকার পরিবেশ। এ দেখে শোকে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। নিহতদের লাশ দেখে কেউই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। এ দুর্ঘটনায় নিহত সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের এআই টেকনিশিয়ান ও গ্রাম্য পশু চিকিৎসক মিলন হোসেন ছিলেন ৩ সন্তানের জনক, দিনমজুর সোহাগের স্ত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্বা, শরীফ, কালু ও রাজু হোসেন ছিলেন দুই সন্তানের জনক। এই পাঁচজনই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাঁদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে নিহতদের স্ত্রী ও সন্তানদের ভবিষ্যত শুধু অন্ধকারময়। এই পরিবারগুলোর দিন কাটবে অনিশ্চয়তায়। রয়েল পরিবহনের চালকের দোষে পাঁচটি পরিবারে নেমে আসলো অন্ধকার আর অনিশ্চয়তা। এ দুর্ঘটনার পর রয়েল পরিবহনের কর্তৃপক্ষকেও পাশে পায়নি স্বজন হারানো পরিবারগুলো। রয়েল পরিবহনের কেউই এরিপোর্ট লেখাপর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি বলে জানা গেছে। এদিকে, এ দুর্ঘটনায় নিহত সদর উপজেলার বসু ভান্ডারদোয়া গ্রামের নিতাই হাওলাদারের ছেলে ষষ্ঠী হাওলাদারের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তাঁর এমন মৃত্যু স্বজনেরাসহ গ্রামবাসী মেনে নিতে পারছে না।