ঢাবির ৫০ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত : ডুসাক সদস্যদের অভাবনীয় সাফল্য

138

সমীকরণ ডেস্ক: বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঢাবির ৫০ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত এই সমাবর্তনে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে বিগত এক সপ্তাহ জুড়ে ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে উৎসব মুখর পরিবেশ। সমাবর্তনের আগে ও পড়ে স্মৃতিতে ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দী করার উৎসব চলছে। রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মোঃ আব্দুল হামিদ সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন। সমাবর্তন বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কৃতি সন্তান, কানাডার ” ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও এর প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক অমিত চাকমা। অনুষ্ঠানে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে “ডক্টর অব সাইন্স” ডিগ্রি প্রদান করা হয়। সমাবর্তনে ডুসাক উপদেষ্টা সাঈদ সিদ্দিককে শিক্ষা জীবনে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গার সরকারী মহিলা কলেজের সাবেক শিক্ষক মরহুম আবু বকর স্যার ও মোছাঃ সালমা খাতুনের পুত্র এবং ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুল ইসলামের জামাতা। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে প্রভাষক হিসাবে কর্মরত আছেন।এ বছর ডুসাকের প্রায় ৪০ জন সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্বিত গ্র্যাজুয়েট হওয়ার সম্মান লাভ করেন। তারা হলেন, নাঈমুল হক রিংকু, শামীম হোসেন মিজি, আতোয়ার হোসেন নয়ন, তুষার-আল-আরাফাত, মেহেদী হাসান টুটুল, আলমগির হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, আফসিন মালিক, মেহজাবিন মুস্তাকিম, নাজিফা সারওয়াত, জাহিমা আক্তার ইমা, তানজিনা তানিন, সাদ্দাম হোসেন, রুমাইয়া লিপি, হাসানুজ্জামান পলাশ, কাজী সদরুল্লাহ বাবু, সাইফুর রহমান সোহেল, ইমরান হোসেন ঢালী, কামরুন নাহার কল্পনা, ইসরাফিল হোসেন, মোস্তফা কামাল, সুমাইয়া নাজনীন তন্বী, রাজন রহমান, মাসুম বিল্লাহ, আজিমুর রহমান তরুন, নিনজা মল্লিক, কাজল হোসেন, মোর্সেদ আলামিন, রিমা খাতুন, সেতু আহমেদ, মুস্তাফিজ ফরায়েজী, আবু সালেহ রিপন, মশিউর রহমান ফরায়েজী, জুনায়েদ আহমেদ মিন্টু, রাশিদুল হক, সামাদুল হাসান শান্ত, এস, এম সুজন, খুরশিদা জাহান তিশা, লামিয়া রহমান প্রমূখ। ডুসাক প্রধান পৃষ্ঠপোষক আহমেদ পিপুল সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সরল ও প্রাঞ্জল বক্তব্য ডাকসু নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। উপমার মাধ্যমে তিনি বলেন ” বয়স বেশী হওয়ায় ছাত্রনেতারা নতুন ছাত্রদের সাথে মিশতে পারে না, তাই ডাকসুর মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করতে হবে। সমাবর্তনে উপস্থিত গ্রাজুয়েটস্দের উদ্দেশ্যে বলেন ” তোমাদের কাছে প্রত্যাশা করি, জীবনের সকল ক্ষেত্রে যেন সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে পার। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে জ্ঞ্যান অর্জন করেছ, তা দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাবে। সমাবর্তনে বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের সুপারিশে ৬১জনকে পি এইচ ডি, ৪৩জনকে এম ফিল, ১৭ হাজার ৮৭৫জনকে গ্র্যাজুয়েট হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এছাড়া ৯৪টি স্বর্ণ পদকের জন্য মনোনীত ৮০জনকে পদক প্রদান করা হয়। পদক প্রদানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও সমাবর্তন বক্তা অধ্যাপক অমিত চাকমা বক্তব্য দেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ । এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড.আক্তারুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার এনামুজ্জামান সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ।